আরও পড়ুন: আগুনে ছারখার হয়ে যাচ্ছে বাংলার বনভূমি! অধরা ‘খলনায়ক’
সকাল হোক বা বিকেল, যেকোনও সময়ে চট জলদি টিফিনের জন্য বাঙালির কাছে সহজ সমাধান হল মুড়ি। বর্তমানে এমন এক আশ্চর্যজনক মেশিনে এসেছে যা দিয়ে দেশি মুড়ি, স্টেশনের হকারদের বিক্রি করা গোল গোল মুড়ি বা মিলের মুড়ি তিন রকমই তৈরি করা যাবে। অর্থাৎ একটি মেশিন দিয়েই রাসায়নিক মুক্ত তিন ধরনের মুড়ি পেতে পারেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর, ক্যানিং, গোসবা, বাসন্তীর মতো এলাকার বহু যুবক এই অত্যাধুনিক মেশিন কিনে বাড়িতেই মুড়ি তৈরির কারখানা তৈরি করেছে ।এই ভাবেই তারা স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
প্রতি ৫০ কেজি চালের বস্ত থেকে ৪৩ থেকে ৪৪ কেজি মুড়ি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ৫৫ থেকে ৬০ বস্তা চালের মুড়ি ভাজা হয়। প্রতি কেজি মুড়ি ৪৫-৪৬ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হয়। আর খুচরো বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতি কেজির দাম ৫০ টাকা। প্রতিটি মুড়ির মিলে দিনে গড়ে এক লাখ টাকারও বেশি মূল্যের মুড়ি ভাজা হয়। এই ব্যবসায় নেমে কয়েকশো পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। চাইলে আপনিও এই ব্যবসায় নামতে পারেন, চাহিদার কোনও অভাব হবে না।
সুমন সাহা





