তার মধ্যে পুরুলিয়া থেকে ছিল প্রায় ১০০ জন। জাপানের যে সমস্ত বিখ্যাত ক্যারাটে প্রশিক্ষক রয়েছেন, যাদের মূলত টিভির পর্দায় দেখতে পাওয়া যায়, সেই সমস্ত ক্যারাটে প্রশিক্ষকদের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পেরে খুবই খুশি ছাত্র-ছাত্রীরা। আগামীদিনে তারা যাতে আরও ভাল জায়গায় পৌঁছাতে পারে সেই কারণেই এই ইন্টারন্যাশনাল সামার ক্যাম্পের উদ্যোগ।
advertisement
এ বিষয়ে ডায়নামিক মার্সেল আর্ট ট্রেনিং ক্লাবের উদ্যোক্তা সনু পান্ডে বলেন, “ক্যারাটের আঁতুড়ঘর হল জাপান। সেখান থেকেই ক্যারাটের বিষয়ে সমস্ত তথ্য আমরা পেয়ে থাকি। সকলের পক্ষে জাপান গিয়ে এই প্রশিক্ষণ নেওয়া তো সম্ভব নয়। তাতে নানা প্রতিকূলতা রয়েছে। তাই জাপানিসদের কাছে যদি আমাদের জেলার ছেলেমেয়েরা হাতে কলমে কিছু শিখতে পারে। এতে তাদেরই উপকার হবে। তারা অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারবেন।” এ বিষয়ে পুরুলিয়ার এক ছাত্রী আত্রেয়ী চক্রবর্তী বলে, তার খুবই ভাল লাগছে এরকম একটা ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করতে পেরে। এই প্রশিক্ষণের ফলে তাদের কোথায় কি ভুল হচ্ছে সেটা তারা খুব ভালভাবেই বুঝতে পারলেন। এতে তাদের অনেকটাই উপকার হয়েছে। আগামীদিনে ভারতের ছেলেমেয়েরাও ক্যারেটের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারবে এমনটাই আশা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনদিন ব্যাপী এই সামার ক্যাম্পে বহু উৎসাহী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রশিক্ষকেরাও এই ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন। ক্যারাটে জগতের নামিদামি খেলোয়াড়দের সামনে পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা।
শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি





