আরও পড়ুনঃ স্মৃতিশক্তি হবে তুখোড়! সন্তানকে রোজ খেতে দিন এই ৫ খাবার! পরীক্ষার রেজাল্ট হবে দারুণ
যদিও স্টেশন যাওয়ার পথ এবং জাতীয় সড়কের সংযোগস্থলে শান্তিপুর থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার দেখা যায় তবে নিয়মিত এবং সর্বক্ষণের বিষয়ে অবশ্য নানান প্রশ্ন ওঠে মাঝেমধ্যেই অন্যদিকে আরপিএফের ভূমিকাতেও খুশি নন অনেকেই। স্থায়ী সমাধান হিসেবে অনেকে অনেক কিছু বললেও তা বাস্তবায়িত হয়নি এখনও। তবে যানজট সৃষ্টিকারী অন্যতম প্রধান কারণ টোটো চালকরা একথা বলে থাকেন অনেকেই তবে যানজট নিয়ন্ত্রণেও তাদেরই অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করতে দেখা গেল।
advertisement
স্টেশন যাওয়ার পথের পেছন দিয়ে মূল রাস্তার সমান্তরালে পৌরসভার একটি রাস্তা রেল বাজারের আগে মিলিত হয়েছে। সেই পথ বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ খারাপ থাকার পর পুরসভার পক্ষ থেকে মেরামতি হওয়ার পর আশার আলো দেখা যায় সেই রাস্তা দিয়ে ট্রেন থেকে নামা মানুষজনের যাত্রীবাহী টোটো এবং অন্যান্য যানবাহন গেলে ট্রেন ধরতে আসা মানুষের সোজা পথ অত্যন্ত সুগম হয়। কিন্তু একজন কর্মী রেখে তার নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই হয়তো পুরসভা কিংবা প্রশাসনকে উদ্যোগই হতে দেখা যায়নি তবে।
আরপিএফ এর সম্মতিক্রমে পুরসভাকে জানিয়ে শান্তিপুর শহর তৃণমূল যাত্রীবাহী টোটো ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এক কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে আজ থেকে। জানা গেছে তিনি কর্তব্যরত থাকবেন সকাল আটটা থেকে দুপুর ১:০০ টা পর্যন্ত অন্যদিকে বিকাল চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নিজেরাই করতে আর এই খরচ বহন করবে ইউনিয়ন। তবে গোলপার্কের সামনে সে কর্তব্যরত থাকলেও, কিছুটা দূরে শনি মন্দিরের সামনে থেকে বাইপাস যাওয়ার অপর একটি গলি নিয়ন্ত্রণ করছেন টোটো চালকরা নিজেরাই। তবে পরবর্তীতে অর্থের সংগতি হলে সেখানেও একজন কর্মী নিয়োগের কথা ভাবছে ইউনিয়ন। তবে এক্ষেত্রে টোটোর উপর পূর্ণ অধিকার থাকলেও অন্যান্য যানবাহন মোটরসাইকেল সাইকেল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা শুধুমাত্র অনুরোধ জানাবেন তাদের কথায় কাজ না হলে আরপিএফের শরণাপন্ন হবেন ওই নিয়ন্ত্রণ কর্মী।
Mainak Debnath





