পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এক রোগীকে ওই নার্সিংহোমে নিয়ে আসেন তার পরিবারের লোকজন। নার্সিংহোমের চিকিৎসকরা জানান, এখানে ওই রোগীর চিকিৎসা ঠিকমতো হবে না। চিকিৎসকের সেই পরামর্শ শুনে, রোগীর পরিবার রোগীকে অন্যত্র নিয়ে যাবার চেষ্টা করেন। এরপর নার্সিংহোমের বাইরে বেরিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ করে পরিবার।
আরও পড়ুনঃ ৫৪ বছরের প্রেম, ৩৬’তম সফর! জাপানের প্রবীণ রেলপ্রেমীর টানে আজও ধোঁয়া ছাড়ে দার্জিলিংয়ের টয়ট্রেন
advertisement
নার্সিংহোমের বাইরে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও চালক পাওয়া যায়নি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর বাইরে থেকে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে এসে রোগীকে অন্য় নার্সিংহোমে যান। দুর্ভাগ্যজনক, হাসপাতালে পৌঁছলেও চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসক জানান, রোগীর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে পৌঁছোনোর আগেই।
হয়ত সময় মতো চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারলে, প্রাণে বাঁচতে পারত রোগীর। একথা শুনে এরপরই রোগীর আত্মীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আগে যে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেখানে ফিরে নার্সিংহোমের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলায় সরকারি বেসরকারি বহু হাসপাতাল চত্বরে সারিবদ্ধ ভাবে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যে বহু অ্যাম্বুলেন্সের সঠিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়েও অসন্তুষ্টি সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা এবং অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।






