কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই সুযোগ হচ্ছিল না। বিগত কয়েক বছর এই মকর সংক্রান্তি তিথিতে মায়ের শরীর ও খারাপ থাকছিল। সে ভাবে কথা বলতে পারেন না মা। শুধুমাত্র মায়ের মনের জোরকে সঙ্গী করে তারা এসেছেন গঙ্গাসাগরে। কিন্তু এ বছর মা একটু সুস্থ হতেই মা ও বাবাকে সঙ্গে নিয়ে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশে রওনা দেন গৌরীশঙ্কর। শেষ পর্যন্ত এই পুণ্যভূমিতে আসতে পেরে যথেষ্ট খুশি তিনি। খুশি তাঁর বাবা-মাও।
advertisement
আরও পড়ুন : ‘ছোট্ট নিয়ম’…মানলেই ব্লাড সুগারেও চুটিয়ে খেতে পারবেন পিঠেপুলি পায়েস! বাড়বেই না ডায়াবেটিস! জানুন ম্যাজিক
এখানেই আগামী দু’দিন থেকে পুণ্যস্নান সেরে বাবা কপিলমুনির মন্দিরে পুজো দেবেন পরিবারের সকলের মঙ্গল কামনায়। এরপর রওনা দেবেন বাড়ির উদ্দেশ্যে। বাবা চলাফেরা করতে পারলেও মা ভীষণ অসুস্থ, তাই তাঁকে হুইলচেয়ারে বসিয়েই তীর্থে নিয়ে এসেছেন গৌরীশঙ্কর। তার পাশাপাশি বাবা মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে খুশি ছেলেও।