নিখোঁজ মৎস্যজীবীর বাড়ি পাথরপ্রতিমায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটানা প্রায় দুই মাস ধরে দীপঙ্কর দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানা থানার হরিপুরে শুঁটকি মাছর পট্টির মাছ ধরার ট্রলারে কাজ করছিলেন। ওই ট্রলারের নাম বাবা মায়ের আশীর্বাদ।
আরও পড়ুনঃ পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের কাজে বেনিয়ম! বাঁধল গোষ্ঠী কোন্দল, বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা
advertisement
জালে মাছ পড়লে ১৫ দিন অন্তর শুঁটকি পট্টিতে মাছ পাঠিয়ে দিতেন তিনি। রাতে অন্যান্য মৎস্যজীবিদের সঙ্গে দীপঙ্কর খাওয়া-দাওয়া করে ঘুমিয়েছিল। কিন্তু রাত ২টোর দিকে সঙ্গীরা জাল সমুদ্র থেকে তুলতে উঠলে দীপঙ্করকে ট্রলারে আর দেখতে পাননি তারা। এরপর তারা পাশে থাকা অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলারে খবর দেন।
এরপর দীপঙ্করকে গভীর সমুদ্রে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন মৎস্যজীবীরা। খবর দেওয়া হয় উপকূলে। খবর পেয়েই প্রশাসনের পক্ষ থেকে দীপঙ্করের খোঁজে গভীর সমুদ্রে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে দীপঙ্করের কোনও খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার সকাল থেকে আবার নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে। মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, ট্রলারে টয়লেট ব্যবস্থা খুবই খারাপ। খোলা সমুদ্রে ভয়ে ভয়ে টয়লেট করতে হয়। ওখান থেকে পড়ে গেলেই বিপদ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গভীর সমুদ্রে এভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ভাবাচ্ছে সকলকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনান্য মৎস্যজীবীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সবকিছু খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।






