এখন দেখছেন স্থল? আগে এই ৫ স্থানই ছিল অথৈ সমুদ্রের তলায়! জানেন কোনগুলো?
প্রতিযোগীদের মুখে ছিল জয়ের প্রত্যয়, আর তীরের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকদের চোখে ছিল রোমাঞ্চ। নিরাপত্তার দিকটিও ছিল প্রশাসনের বিশেষ নজরে। কোনওরকম দুর্ঘটনা এড়াতে খাতড়া মহকুমা বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের পক্ষ থেকে জলাধারে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিযোগিতাস্থলে মোতায়েন করা হয় দফতরের প্রশিক্ষিত কর্মীদের, যাতে প্রতিযোগিতা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। খাতড়া মহকুমা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’টি রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় মোট ৫০টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি নৌকায় ছিলেন দু’জন করে নৌচালক। প্রথম ও দ্বিতীয় রাউন্ডে ২৫টি করে নৌকা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামে। দুই রাউন্ডের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।
advertisement
প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাতড়ার মহকুমা শাসক শুভম মৌর্য-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে প্রশাসনের তরফে জানান হয়, মুকুটমণিপুরকে আরও আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করতেই এই ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। মহকুমা প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, গত বছরেও নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়েছিল এবং সেবারও বিপুল সাড়া মিলেছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এবছর আরও বৃহৎ পরিসরে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌচালকরা জানান, কংসাবতীর জলে এইভাবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরে তাঁরা গর্বিত ও আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগে অংশ নিতে তাঁরা আগ্রহী। একইসঙ্গে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যেও এই নৌকা বাইচকে ঘিরে যে উচ্ছ্বাস ও উৎসাহ দেখা গেল, তা মুকুটমণিপুর মেলাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলল বলেই মত পর্যটকদের।