আরও পড়ুন: ‘লঙ্কাকাণ্ড’! খিদের পেটে লঙ্কা খান ইনি, চোখে-মুখে লঙ্কাবাটা ডলেন; কেন? জানলে চমকে যাবেন
এদের মধ্যে ডাং পুতুল ও তারের পুতুল এবং কাপড়ের পুতুল ই বাংলায় সর্বাধিক প্রচলিত ও জনপ্রিয় ছিল। বর্তমানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সিনেমা, টেলিভিশনের নানান অনুষ্ঠান এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দাপটে এই পুতুল নাচ শিল্প প্রায় অবলুপ্তির পথে। পরিবর্তনের সরকার আসার পর মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে লোক শিল্পীদের জন্য নানান প্রকল্প গ্রহণ করলেও পুতুল নাচ শিল্প থেকে ছিটকে গিয়েছে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীরা। পুতুল নাচের পরম্পরায় ডাং পুতুলই সর্বাপেক্ষা প্রাচীন বলে জানা যায়, আর – দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর বিখ্যাত ডাং পুতুলের জন্য। একটা সময় এই পুতুল নাচ শিল্পীরাই সাধারণ মানুষের মনোরঞ্জন করতেন এবং পুতুল নাচের মাধ্যমে সামাজিক বার্তা ছড়িয়ে দিতেন । আর সেই ধারাকে বজায় রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন জয়নগরের নিরাপদ মন্ডল।
advertisement
আরও পড়ুন: দিঘার সমুদ্রে ভয়ঙ্কর বিপদে চার পর্যটক! সব শেষ হওয়ার আগে কোনওক্রমে রক্ষা, ভয়াবহ ঘটনা
নিজেই তৈরি করেছেন ‘সত্যনারায়ণ পুতুল নাট্য সংস্থা’ নামে একটি দল। আর সেই দলের কলাকুশলীদের নিয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উপস্থাপন করে চলেছেন আলিবাবা ও চল্লিশ চোর এবং মুঙ্গলির মতো নানান আকর্ষণীয় কাহিনী। এই পুতুল নাচ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে তার রীতিমতো সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন জয়নগর থানার অন্তর্গত মায়া হাউুরি গ্রামের বাসিন্দা নিরাপদ মন্ডল। বর্তমানে তিনি কোন প্রেক্ষাগৃহ বা ফাঁকা মাঠ যেখানেই তার পুতুল নাচ নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন সেখানেই ভরে যাচ্ছে দর্শক আসন।সম্প্রতি জয়নগরের রূপ ও অরূপ মঞ্চে মঞ্চস্থ হয়ে গেল তার দলের আলিবাবা ও চল্লিশ চোর কাহিনীটি। এই অনুষ্ঠানেও দর্শক আসনে ছিল উপচে পড়া ভিড়। অনুষ্ঠান শেষে খুশি দর্শক আসনে থাকা ৮ থেকে ৮০ সব বয়সের মানুষ।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
সুমন সাহা





