এতে আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে অভিমত তাদের। ফুল দিয়ে পাঁশকুড়ার পরিচয়। ফুল থেকেই চাষির ঘরে হাঁড়িতে ফোটে ভাত। এবছর ফুলের মরশুমে প্রথম থেকেই ফুলের দাম ভাল থাকায় পাঁশকুড়ার ফুল চাষিদের ঘরে ঘরে খুশির জোয়ার। ফুল চাষের জন্য বিখ্যাত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া ব্লক। বছরের প্রায় সারা সময়ের পাশাপাশি, শীতকালে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ফুল চাষ হয় পাঁশকুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। ফুল ফুটলেই হাসি ফোটে পাঁশকুড়ার ফুলচাষি পরিবারে। পাঁশকুড়ার ফুল লাভজনক চাষ। পাঁশকুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় চন্দ্রমল্লিকা গ্যডিওলাস সহ বিভিন্ন প্রকার শীতকালীন ফুলের চাষ হয়। শুধু পাঁশকুড়া নয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাটেও প্রচুর পরিমাণে ফুল চাষ হয়।
advertisement
ফুল চাষিদের সুবিধার্থে আগেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একটি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করেছে প্রশাসন। তাই এবার আরও বেশি কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে চাষিরা জেলায় ফুলের গবেষণাগার ও হাব তৈরি করার দাবি জানাল। এ বিষয়ে সারা বাংলা ফুল চাষি ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়েক জানান, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ফুল চাষ বর্তমানে বিখ্যাত। এই জেলা থেকে ফুল রফতানি করা হয় দেশের বিভিন্ন বড় বড় বাজারে। সেই সঙ্গে ফুল যাচ্ছে বিদেশের বাজারে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতিতে কী ভাবে আরও ভালভাবে ফুল চাষ করা যায়, তার কোনও গবেষণাগার নেই। গবেষণাগার চালু হলে ফুল নির্ভর কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলার ফুল চাষিরা তাই আবেদন জানিয়েছেন, জেলায় একটি গবেষণাগার বা ফুলের হাব নির্মাণ হোক। এর পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফুল পাঠানোর জন্য রেল ও বিমানে “কোটা” পদ্ধতি চালু করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। কোলাঘাট ফুলবাজারে উন্নয়ন। নষ্ট হয়ে যাওয়া ফুল থেকে সুগন্ধি, ভেষজ রঙ, আবির সহ সমস্ত রকম উপজাত সামগ্রী তৈরির বন্দোবস্ত করার দাবিওতুলেছেন ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চাষিদের এই দাবিগুলি নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বিশেষ করে ফুলের হাব গড়ে তোলা, নষ্ট হয়ে যাওয়া ফুল থেকে সুগন্ধি ভেষজ রঙ, আবিরসহ নানারকম জিনিসপত্র তৈরি করার পরিকাঠামো নির্মাণের চিন্তাভাবনা চলছে। সবমিলিয়ে ফুল চাষ নির্ভর কর্মসংস্থান আরও বাড়বে এমনটাই মনে করছেন অনেকে।





