আর সেই কারণেই শিশুর শিক্ষা হতে হবে সম্পূর্ণ, গভীর ও বাস্তবমুখী। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রসেনজিৎ সরকার এই বিষয়ে বলেন, “sis ই পারবে শিশুকে তার সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে। সেই কারণেই আমাদের বিদ্যালয়ের তরফে এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, SIS কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি পড়ুয়াকে আলাদাভাবে বোঝার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি শিশুর পড়াশোনার বাইরেও তার খাদ্যাভ্যাস, পছন্দের রং, খেলাধুলো, আঁকার আগ্রহ, ঘুম থেকে ওঠার সময়, বাড়ির পরিবেশ, পারিবারিক সম্পর্ক, প্রতিবেশীদের সঙ্গে আচরণ, এমনকি বাড়ির পোষ্য প্রাণীদের প্রতিও তার ব্যবহার, এই সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
advertisement
আরও পড়ুন: পুকুরে উপচে পড়বে মাছ, শুধু শিখে নিন এই ছোট্ট টেকনিক! সফল চাষের গোপন ফর্মুলা ফাঁস করলেন অভিজ্ঞরা
শুধু তাই নয়, পড়ুয়া বা তার পরিবারের কারও শরীরে কোনও জিনগত রোগ আছে কি না, সেই তথ্যও একটি নির্দিষ্ট প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের বক্তব্য, এই সমস্ত তথ্য হাতে থাকলে একটি শিশুর প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হওয়া সম্ভব হবে। পড়াশোনায় কোথায় ঘাটতি রয়েছে, মানসিক বা সামাজিক কোনও সমস্যা আছে কি না সবকিছু চিহ্নিত করা অনেক সহজ হবে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশের মধ্যে এই ধরনের SIS কর্মসূচি এই প্রথম শুরু হল। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুধু সমস্যা চিহ্নিত করাই নয়, ভবিষ্যতে অভিভাবকদের সঙ্গে যৌথভাবে সেই সমস্যা সমাধানের দিকেও এগোনো হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বিষয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রলয়েন্দু ভৌমিক বলেন, “পড়ুয়াদের প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে আমাদের জানা খুবই প্রয়োজন তাদের শিক্ষার বিকাশ ঘটানোর জন্য, সেই কারণেই এই sis। এটা খুবই ভাল এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা উদ্যোগ।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রলয়েন্দু ভৌমিক এবং অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রিয়ব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁদের উপস্থিতি গোটা উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার এই মানবিক প্রয়াস নিঃসন্দেহে অন্য বিদ্যালয়গুলির কাছেও এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।





