খাঁচার ভিতরে একটি মুরগি রাখা ছিল, যা স্পষ্টতই টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। বনকর্মীরা সঙ্গে সঙ্গেই খাঁচা ও মুরগিটি বাজেয়াপ্ত করেন। খাঁচার গঠন ও আকার দেখে বনদফতরের আধিকারিকের ধারণা, এটি কোনও ছোট প্রাণীর জন্য নয়, বরং বড় কোনও বন্যপ্রাণী ধরার লক্ষ্যেই ফাঁদটি পাতা হয়েছিল। বনবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরই কুড়াল গ্রামের পাশের ওই মাঠে তল্লাশি চালানো হয়। কারা এই খাঁচাটি ফাঁদ হিসেবে রেখে গিয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: পকেটের জোর কম, দামি বাইক স্বপ্ন! পাতি সাইকেলে লাদাখ ট্রিপ, রাস্তাই এখন ঘর-বাড়ি!
আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে। পাশাপাশি গোটা বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে আদুরিয়া বিটের বন আধিকারিক পিনাকী ভট্টাচার্য বলেন, “শুয়োর, হেরোল কিংবা শেয়াল ধরার জন্য সাধারণত এই ধরনের খাঁচা ব্যবহার করে চোরা শিকারিরা। তবে ঠিক কোন প্রাণী ধরার উদ্দেশ্যে এই খাঁচা পাতা হয়েছিল, তা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে খাঁচার ধরন দেখে এটা স্পষ্ট, বড় কোনও প্রাণী ধরার পরিকল্পনা ছিল।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনি আরও জানান, চোরা শিকারিরা অনেক সময় নিজেদের খাওয়ার জন্য কিংবা অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যেও এই ধরনের ফাঁদ পেতে থাকে। দু’টোরই সম্ভাবনা রয়েছে। বন আধিকারিক আরও বলেন, “আমরা পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। তদন্ত সম্পূর্ণ হলেই সবটা পরিষ্কার হবে। চলতি বছরে এই এলাকায় এভাবে রেডিমেড খাঁচা পেতে চোরা শিকারের ঘটনা এই প্রথম।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় চোরা শিকার নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ফলে আগামী দিনে এই ধরনের ঘটনা রুখতে বনবিভাগের পক্ষ থেকে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।






