আরও পড়ুন: স্কুলের গেটে ঝুলিছে তালা, পোস্টার হাতে দাঁড়িয়ে পড়ুয়ারা! কারণ জানলে অবাক হবেন
Development Research Communication and Services Centre-এর তত্ত্বাবধানে চলছে জৈব ধানের চাষাবাদ। গ্রামের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পরিবারের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ। কেরালা সুন্দরী, লাল বাদশাহভোগ, মুগাই এবং ভূতমুড়ি ধান চাষ করা হয়েছে ছাতনায়।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন:
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
দেশীয় ধানের বাজার রয়েছে যথেষ্ট। দেশী ধান শরীরের পক্ষে স্বাস্থ্যকর। আধুনিকতার সঙ্গে স্বাস্থ্য সচেতনতার বাড়ছে সমাজে। ফলেএই ধানগুলিকে বিক্রি করে ভবিষ্যৎ দেখছেন কৃষকরা। কোনওরকম রাসায়নিক সার ছাড়াই জৈব সার ব্যবহার করে হচ্ছে এই চাষ। ইউরিয়ার বদলে ব্যাবহার করা হচ্ছে গো-মূত্র। তাতে যথেষ্ট বেশি ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। বেশি ধান চাষ করতে খুব একটা প্রয়োজন হয় না ওষুধের। তুলনামূলকভাবে খাটনি কম। ফলন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি।
নীলাঞ্জন ব্যানার্জী





