‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরের ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর সভা উপলক্ষে এদিন সকাল ৯টা থেকেই বর্ধমান শহরের জি টি রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের একঝাঁক মন্ত্রী, আমলারা এই সভায় হাজির ছিলেন।
মঞ্চ থেকে দুই বর্ধমানের ৫০ জন উপভোক্তার হাতে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন পূর্ব বর্ধমানের ৮৭৩ জনের হাতে কৃষি জমি ও বসত বাড়ির পাট্টা দেওয়ার সূচনাও করেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া,পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়া, হুগলি, হাওড়া,উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ২৬টি জায়গা থেকে ভূমিহীনদের পাট্টা দেওয়ার সূচনাও বর্ধমানের সভা থেকেই করেন মুখ্যমন্ত্রী। সে জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সভা থেকে ‘ওয়েব কাস্টিং’-এ জুড়ে ছিল সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি।
advertisement
আরও পড়ুন- বাবার কোমড়ে বেল্ট! তাও বিশেষভাবে সক্ষম ছেলেকে কাঁধে চাপিয়েই দেখালেন ফুটবল ম্যাচ
এছাড়াও দামোদরের ওপর শিল্পসেতু, মঙ্গলকোট, কাটোয়া-সহ জেলার একাধিক রাস্তা, ৯৭টি কমিউনিটি শৌচালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের তফশিলি জাতিদের জন্য হস্টেল, জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৪০৪টি স্কুলে পরিস্রুত পানীয় জলের যন্ত্র-সহ একশো তিরানব্বইটি প্রকল্পের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই কাজগুলি করতে মোট ৬৯৪ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
অন্যবারের মতো এবারও মঞ্চের কাছে আদিবাসী নৃত্য, বাজনা ছিল। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি জিনিস বিক্রি, শ্রমশ্রী, কর্মশ্রী-সহ ১০টি স্টল রাখা হয়েছিল। সেসব ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। দেড় বছর আগে বর্ধমান শহরের নবাবহাটের কাছে জাতীয় সড়কের পাশে গোদার মাঠে প্রশাসনিক সভা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
এবার বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট লাগোয়া মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের মাঠে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় তিন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, স্বপন দেবনাথ, সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি, সাংসদ কীর্তি আজাদ ও সাংসদ শর্মিলা সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
