এর প্রেক্ষিতে কলাপাতা বিক্রি করে আয় করার একটি সম্ভাবনাময় পথ সৃষ্টি হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু প্রান্তিক মানুষরা এলাকার কলাবাগান সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে কলা গাছের পাতা সংগ্রহ করছেন আর সেগুলি বাজারজাত করে কলকাতার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: ২ থেকে ৬০! ছাগল চাষ কীভাবে করে দেখাতে হয়, দেখাচ্ছেন সুন্দরবনের এই মহিলা
advertisement
এই কলাপাতা মূলত খাবার পরিবেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে পাশাপাশি পাতুড়ি তৈরি করতে কলাপাতার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ব্যবহার হয়। অনেক প্যাকেজিং কোম্পানিও কলাপাতার ব্যবহার করছে পরিবেশবান্ধব প্যাকেট তৈরির জন্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একটি কলাগাছ থেকে একাধিক বড় ও ছোট কলাপাতা পাওয়া যায়। প্রতিটি কলাপাতা ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা দামে কেনেন ব্যবসায়ীরা, আবার কখনও কখনও বিনামূল্যেও পেয়ে যান। এগুলি বাজারজাত করে কলকাতায় ভাল দামও পান। ১০০ পিস কখনও ৮০০ টাকা, আবার কখনও ১০০০ টাকাতেও বিক্রি হয়। অর্থাৎ বিক্রির সময় প্রতি পিসের দাম পাওয়া যায় ৮ থেকে ১০ টাকা। পাশাপাশি কলাপাতা বিক্রির জন্য কলকাতা ছাড়াও শহরের হোটেল, ক্যাটারিং সার্ভিস এবং খাদ্য প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠানেও বিক্রি করেন। কলাপাতা বিক্রি করে পরিবেশবান্ধব, সহজলভ্য ও লাভজনক উদ্যোগে বেশ কিছু মানুষ আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন।
জুলফিকার মোল্যা





