বর্তমানে বিভিন্ন কারণে বীরভূমের মাটির উর্বরতা কমে আসছে। মূলত ধান চাষের পর অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করার জন্য জমিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছেন চাষীরা। ফলে মাটির উর্বরতা কমে আসছে। তবে মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে চাষ করলে ভাল ফসল উৎপাদিত হয়। মূলত এগুলিই চাষিদের বোঝাচ্ছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রীনিকেতন। গ্রামবাংলাকে কৃষিকাজে সমৃদ্ধ করতে বিশ্বভারতীর কাছেই শ্রীনিকেতন গড়ে তোলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
advertisement
বোলপুর শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর মৃত্তিকা বিজ্ঞান ও কৃষি রসায়ন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক গৌতম ঘোষ জানান, “আমরা দীর্ঘ সময় ধরে চাষিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে চলেছি। নিজের স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করা যেমন প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজন, ঠিক তেমনি মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রত্যেক চাষির প্রয়োজন৷ তাতে ফলন ভাল হয় এবং মাটির স্বাস্থ্যও ভাল থাকে ৷ ল্যাবে সবরকম ব্যবস্থা আছে ৷ মোট ১২ রকম পদ্ধতিতে খুব যত্ন নিয়ে পরীক্ষা করা হয় ৷ এতে উপকৃত হচ্ছেন বহু চাষি।”
মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বীরভূম জেলার চাষিদের ভরসা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শ্রীনিকেতন। জেলার ১৯ টি ব্লকের চাষিরা নিজ নিজ জমির মাটি সংগ্রহ করে পশ্চিমবঙ্গ কৃষি বিভাগের মাধ্যমে বিশ্বভারতীতে পাঠায় ৷ কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের প্রকল্প রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনার অন্তর্গত ‘মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্ড’। জেলার লক্ষাধিক চাষিকে প্রতি বছর সেই কার্ড দেয় বিশ্বভারতীর শ্রীনিকেতন। ১২টি পদ্ধতিতে উন্নত মানের যন্ত্রাংশ দিয়ে মাটির ১৭টি উপাদান পরীক্ষা করা হয় ৷





