প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ADFO অসিত কুমার দাস এবং ফরেস্ট রেঞ্জার সুমন্ত গোস্বামী। তাঁদের উপস্থিতিতে কর্মসূচির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। অভিযানের মূল আকর্ষণ ছিল খাতড়া ফরেস্ট অফিস থেকে মুকুটমণিপুর পর্যন্ত বিশাল সচেতনতা র্যালি। পাম্প মোড় হয়ে অগ্রসর হওয়া এই র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন বনকর্মী, পরিবেশকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা। হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে সাধারণ মানুষের সামনে ‘Say No To Illegal Wildlife Trade’ বার্তা তুলে ধরা হয়।
advertisement
র্যালির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পোস্টার লাগানো, তথ্যসমৃদ্ধ লিফলেট বিতরণ এবং মাইকের মাধ্যমে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ ও পাচারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে প্রচার চালানো হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ বন্যপ্রাণ পাচার জীববৈচিত্র্যের জন্য এক মারাত্মক হুমকি। এই অপরাধ রুখতে কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই এই বৃহৎ অভিযান।
এই সচেতনতা অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এলাকায় বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। বন দফতর ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে অবৈধ বন্যপ্রাণ পাচারের আইনি দিক, শাস্তির বিধান এবং এর ফলে পরিবেশের উপর পড়া দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একইসঙ্গে বিশেষত তরুণ প্রজন্ম ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করতে এই ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ আকারে আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। আয়োজকদের মতে, স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা ছাড়া বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সম্ভব নয়, তাই এই ধরনের সচেতনতা অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।





