এখন প্রশ্ন, প্রত্যন্ত জঙ্গলমহলে মেয়েদের ক্রিকেট খেলার জন্য কি পরিষেবা রয়েছে? এখানকার অধিকাংশ মেয়েই আদিবাসী। ফুসফুসের স্ট্যামিনা হোক কিংবা লড়াই করার ক্ষমতা, সবই রয়েছে সাধারণের চেয়ে একটু বেশি। বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে পর্যাপ্ত প্রতিভার অভাব নেই। তাহলে কি এই প্রতিভাগুলিকে প্রস্ফুটিত করতে পারলে এখান থেকে উঠে আসবে আগামীদিনের স্মৃতি-হরমনপ্রীত বা জেমাইমা?
আরও পড়ুনঃ জব কার্ড হোল্ডারদের চিন্তা শেষ! জেলায় ফের শুরু হচ্ছে জব কার্ডের ই-কেওয়াইসির কাজ, জেনে নিন দিনক্ষণ
advertisement
১৯৮৩ সালে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন কপিল দেব। তখন থেকেই গোটা ভারতে শুরু হয় ক্রিকেট খেলার এক অদম্য উৎসাহ। ক্রিকেটের মানচিত্র বদলে দেয় ভারত। ক্রিকেটের রাজা হয়ে রীতিমতো শাসন করছে ভারতীয় দল এবং বিসিসিআই।
এবার কি তাহলে মহিলা ক্রিকেট দল দেশের মহিলা ক্রিকেটের মানচিত্র বদলে দেবে? সেই প্রশ্নের উত্তর হয়তো বাঁকুড়ার চাতরী নিম্ন বুনিয়াদী আবাসিক বিদ্যালয়ের ছোট ছোট মেয়েরা দিতে পারবে। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ জয়ের বিজয় দিবস উপলক্ষে যে মাঠ আমাদের শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা এনে দিয়েছে সেই মাঠেই আমরা বিজয় উৎসব পালন করলাম।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বজয়ের আনন্দে ভাসছে জঙ্গলমহলের ছোট ছোট মেয়েরা। দু’চোখে স্বপ্ন আগামীর স্মৃতি কিংবা হরমনপ্রীত হওয়ার। বিশ্বজয়ী ‘দিদি’দের মতোই ব্যাট হাতে ময়দান কাঁপানোর স্বপ্ন দেখছে তাঁরা।





