ইংরেজি নববর্ষের দ্বিতীয় দিনেও পরিবারের মঙ্গল কামনায় এবং বর্ষবরণের আনন্দ উপভোগ করতে জেলার বিভিন্ন তীর্থস্থান ও পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় জমিয়েছেন মানুষ। তারই অঙ্গ হিসেবে ভোর থেকেই বক্রেশ্বর সতীপীঠ ও পর্যটন কেন্দ্রে ভক্তদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। ২০২৬ সালের শুরুতেই যে ভিড় দেখা গিয়েছে, তা আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের তুলনায় অনেকটাই বেশি বলে দাবি স্থানীয়দের।
advertisement
বক্রেশ্বর সেবাইত উন্নয়ন সমিতির সদস্য দেবনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, ‘‘ভোর থেকেই একটানা তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ভিড় ততই নজরে পড়ার মতো হচ্ছে। পুণ্যার্থীরা গরম জলে স্নান করছেন, উষ্ণ প্রস্রবণ দেখছেন, পরিবার নিয়ে পিকনিক করছেন এবং বক্রেশ্বর বাবা, মা সতী ও ভৈরবের কাছে পুজো দিচ্ছেন। সামগ্রিকভাবে আজ বক্রেশ্বরে এক অভূতপূর্ব ভক্তসমাগম দেখা যাচ্ছে।’’
পর্যটকদের মধ্যেও উৎসাহের কমতি নেই। কলকাতা থেকে আসা এক পর্যটক রুপা পুরকাইত বলেন, এই প্রথম বক্রেশ্বর ঘুরতে এসেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “আগে মামা-ভাগ্নে পাহাড় ঘুরেছি। এবার বক্রেশ্বর এলাম। গরম জলের প্রস্রবণ দেখছি, তারপর মন্দিরে পুজো দেব। এখান থেকে তারাপীঠ যাওয়ার পরিকল্পনাও আছে।”
নতুন বছরের শুরুতে এমন ভিড় বক্রেশ্বর পর্যটন কেন্দ্রকে আরও একবার জেলার অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থ ও ভ্রমণস্থল হিসেবে তুলে ধরল বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
Sudipto Gorai





