খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে বলে আশাবাদী আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। জলহস্তীর পায়ের বল ফেরাতে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। মেডিক্যাল বোর্ডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে জলহস্তীর ফিজিওথেরাপি শুরু হয়। ইনফ্রারেড রে দিয়ে তার স্নায়ুকে সজীব করা হচ্ছে। যার ফলে জলহস্তীটি নিজে থেকে জলের মধ্যে হাঁটাচলা করে। স্বেচ্ছায় জলাশয়ের পাড়ে একবার উঠেছিল। তবে বেশিক্ষণ সে পাড়ে থাকতে পারেনি। জলে আবার নেমে যায়।
advertisement
চিকিৎসকরা মনে করছেন আরও কিছুদিন তার এই থেরাপি চললে সে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারবে। জলাশয়ের পাড়ে খাবারের সঙ্গে ওষুধ দিয়ে তার চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু তাতে খুব একটা উপকার হচ্ছিল না। পায়ে বল না থাকায় পাড়ে গিয়ে খাবারও ঠিকমতো খেতে পারছিল না। এদিকে দিনের পর দিন এভাবে জলে ডুবে থাকায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল।
এরপরই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে মেডিক্যাল টিম গঠন করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। নন্দনকানন থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল এই জলহস্তীটিকে। সেজন্য মেডিক্যাল টিমে নন্দনকাননের চিকিৎসকও রয়েছেন। এছাড়া দেশের যেসব চিড়িয়াখানায় জলহস্তী রয়েছে, সেখানকার চিকিৎসকদেরও টিমে রাখা হয়েছে। তাঁদেরই পরামর্শ নিয়ে জলহস্তীর ফিজিওথেরাপি শুরু হয়।
ইনফ্রারেড রে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন যা নার্ভকে সক্রিয় করে তোলে। এই রে দিয়ে আরও এক সপ্তাহ তার এই থেরাপি চলবে, এরপর জলহস্তীটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন বলে মনে হয়।






