মঙ্গলবার বিকাল চারটে থেকে ব্লক অফিসে কংগ্রেসের পঞ্চায়েত প্রার্থীদের বি ফর্ম জমা দেওয়ার দাবিতে রাতভর ধর্না বসেন অধীর চৌধুরী। কোন ফ্যান এমনকি জলের ব্যবস্থা ছিল না বলেই অভিযোগ করেছিলেন অধীর। অবশেষে বুধবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস, কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেন বি ফর্ম জমা নিতে হবে কমিশনকে। অর্ডার মেলার পরেই অবস্থান কর্মসূচি তুলে নিলেন অধীর চৌধুরী।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোটের দিন কী করবেন? বিরাট পরিকল্পনা শুভেন্দুর! ২১-এর ভোট নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বড়ঞা বিডিও অফিসের প্রতীক জমা দিতে যাচ্ছিলেন কংগ্রেস ব্লক সভাপতি আজাদ মল্লিক ও কান্দি মহকুমা কংগ্রেস সভাপতি সাফিউল আলম খান। তখনই তাঁদের হাত থেকে বি-ফর্মের ঝোলা নিয়ে নিয়ে পালায় তৃণমূলের লোক বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের সামনে এই ঘটনায় উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বড়ঞা বিডিও অফিসে। তারপরেই ঘটনাস্থলে টহল দিতে থাকে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় তৃণমূলের হাতে আহত কান্দি মহকুমা কংগ্রেস সভাপতি সাফিউল আলম। ঘটনার জেরে গ্রেফতার করা হয় দুই ব্যক্তিকে।
আরও পড়ুন: মাঝরাতে সিপিআইএম নেত্রীর বাড়ির সামনেই হঠাৎ বিকট শব্দ, মিলল এক চিঠি..শিউরে ওঠা ঘটনা
এই ঘটনার প্রতিবাদেই বড়ঞা বিডিও অফিসের সামনে রাতভর টানা ২৪ ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব। এদিন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ফোন করে কথা বলেন অধীরের সঙ্গে। যদিও হাইকোর্টের রায় পাওয়ার পর এই প্রসঙ্গে অধীর বলেন, কংগ্রেস কর্মীদের হেনস্থার জন্য মামলা করা হয়েছিল। বি ফর্ম জমা নেওয়ার দাবি ছিল আমাদের। প্রশাসন মানেনি তাই হাইকোর্টে যেত না হয়েছিল। আজকে হাইকোর্টের রায়ে প্রমানিত আমাদের ওপর অন্যায় করা হয়েছিল। বি ফর্ম জমা না নেওয়ার কারণেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। সুফল পেলাম, তাই ধর্না তুলে নিলাম। যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই কংগ্রেসের মাটি পূণরুদ্ধার করতে মরিয়া একদা অধীর গড় কংগ্রেস ।
—– কৌশিক অধিকারী





