ঘাটালের কুঠিঘাটের বিবেক ভুঁইয়ার সাথে ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটে আলাপ হয় দিল্লিতে কর্মরতা উত্তর ২৪ পরগণার জগদ্দল থানার শ্যামনগরের তরুণী মোনালিসা জয়ধরের।রেজিস্ট্রির আবেদন করেও আর রেজিস্ট্রি বিয়ে করা হয়নি। ঘাটালের মন্দিরে বিয়ে হয় মোনালিসা-বিবেকের।মোনালিসা দিল্লিতে একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত থাকায় সেখানে বিবেকের নিত্য যাতায়াত ছিল। হঠাৎ বিবেক এই সম্পর্ক অস্বীকার করে এবং তাঁকে পাত্তা দিচ্ছিল না এমনটাই দাবি মোনালিসার।
advertisement
আরও পড়ুন - ‘জয় মা কালী’- আলোর মালা, কালীঘাটের মতো তোরণে সাজছে ধন্বন্তরী কালী মন্দির
এরপরেই মোনালিসা দিল্লি থেকে ৮ নভেম্বর কুঠিঘাটে তাঁর স্বামী বিবেক ভূুঁইয়ার বাড়িতে এসে ধর্নায় বসেন। স্বামীর কাছে ফিরতে চেয়ে তার সঙ্গে সংসার করার দাবি নিয়েই সকাল থেকে ধর্ণায় বসেন মোনালিসা। এদিকে ধর্নায় বসার খবর কানাকানি হতেই বিবেকের পরিবার বেপাত্তা।
আরও পড়ুন - Hurricane Nicole: জলভাগে ক্রমশ নিজের শক্তি বাড়িয়ে ফুঁসছে ঝড় নিকোল, তছনছ হবে সব
খবর যায় পুলিশ প্রশাসনের কাছে। যাবতীয় বিবাহিত জীবনের ছবি সহ প্রমান নিয়ে ধরনায় বসেছিলেন মোনালিসা। শয়ে শয়ে গ্রামবাসীরা পাশে থেকে সমর্থন করেন তাদের গ্রামের বধূকে। রাত এগারোটার সময় ঘাটাল থানার ওসি সহ পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। আসে বিবেকের পরিবারও। তাঁরাও বাড়ির বউকে বাড়িতে ফেরাতে চান। গ্রামবাসীরা অনড়, তাঁরা সবার সামনে আর একবার বিয়ে দিয়ে তবে মোনালিসাকে শ্বশুর বাড়িতে পাঠাবেন বলে দাবি করে বসে।
গ্রামের কালীমন্দিরে শয়ে শয়ে গ্রামবাসীদের সামনে মালাবদল, সিঁদুরদান করে বিয়ে হল বিবেক- মোনালিসার।শেষমেশ মোনালিসাকে তাদের বাড়িতে তুলে নেন বিবেক ও তাঁর বাবা-মা। এতেই মুখে চওড়া হাসি ফিরল টানা ১৩ ঘন্টা স্বামীর বাড়ির সামনে ধর্ণায় বসা মোনালিসা -জয়ধরের।
Sukanata Chakravarty
