আরও পড়ুন MonkeyPox: মাঙ্কিপক্স নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করল কেন্দ্রীয় সরকার
উচ্চমাধ্যমিকে মেয়ে ভাল রেজাল্ট করে কলেজে ভর্তি হয়েছে, কলেজের ফি, বই-পত্র আরও আনুষাঙ্গিক অনেক কিছুর জন্য অনেক টাকার দরকার আবার অন্যদিকে ছেলেকে সারদা বিদ্যামন্দির স্কুলে ভর্তি করতে হয়েছে। সেখানেও স্কুলের বই পত্র কেনার জন্য টাকার দরকার। ছেলে মেয়ে ভালো পড়াশোনা করে অনেক বড় হবে, স্বপ্নে দেখেন নীলা দেবী। স্থানীয় উপপ্রধান বিশ্বজিৎ ঘোষের সহায়তায় টোটো কেনেন তিনি । আর একবার সাহস করে স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টায় টোটো নিয়ে বেরিয়ে পড়েন নকশাল বাড়ির রাস্তায়।
advertisement
তবে টোটো নিয়ে বেরিয়ে পড়লেই হল না, টোটো নিয়ে বের হওয়ার পথে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে। রাস্তায় বেরোলে সিন্ডিকেটের দাদাদের চোখ রাঙানো সম্মুখীন হতে হয়৷ ভয়ে কয়েক দিন টোটোই বের করেননি নীলা দেবী। কিন্তু টোটো না বের করলেও যে হবে না, টোটো না চালালে পয়সা উপার্জন হবে না, টোটোর কিস্তির টাকাও বাকি। একপ্রকার চিন্তায় পড়ে যান নীলা দেবী৷ অবশেষে ছেলে মেয়ের কথা চিন্তা করে রাস্তায় টোটো নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি।
তিনি জানান, "টোটো নিয়ে রাস্তায় বেরোলে আমাকে কোনও স্ট্যান্ডেই দাঁড়াতে দেওয়া হতো না ,গাড়ির সামনে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে আমার যাত্রীকে নামিয়ে নিজেদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যেত।" মহিলা বলেই পুরুষদের এইরকম অসহযোগিতা বলে মনে করছেন নীলা দেবী৷ এছাড়াও তিনি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন "সরকার যদি আমদের মতো অসহায় মহিলাদের পাশে একটু দাঁড়ায় তাহলেই এরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।" অন্যদিকে এক যাত্রী নিবেদিতা সেন বলেন "উনি যে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন স্বামীর পাশে দাঁড়ানোর, বাচ্চাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, তাতে আমরা মহিলারা গর্ববোধ করি।"
অনির্বাণ রায়





