চড়িদা গ্রামের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হল মুখোশ। কিন্তু বর্তমানে এই মুখোশের পাশাপাশি জায়গা করে নিচ্ছে হাতের কাজের তৈরি এক নতুন ধরনের পুতুল। এলাকারই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কিছু মহিলা নিজ উদ্যোগে তৈরি করছেন এই নতুন ধরনের পুতুল। আর এক ছৌ মুখোশ ব্যবসায়ী এই পুতুলগুলি গ্রামের মহিলাদের থেকে কিনে এনে দোকান সাজিয়েছেন। বহু উৎসাহী মানুষ 'মুখোশ গ্রামে' ভিড় জমাচ্ছেন এই নতুন ধরনের পুতুল দেখতে। ওই ব্যবসায়ীর দাবি, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কিছুটা আর্থিক সহযোগিতা করতে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন। করোনার সময় মুখোশ ব্যবসায় যথেষ্ট ভাটা পড়েছিল। তখন অনেকেই ছৌ মুখোশের পাশাপাশি নতুন ধরনের জিনিস দিয়ে পসার জমিয়েছেন। এই ধরনের নতুন পুতুল এর আগে মুখোশ গ্রামে বিক্রি হয়নি। আগামী দিনে এই পুতুলের চাহিদা বাড়বে বলে অনেকটাই আশাবাদী তিনি।
advertisement
আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের ডালে সাপ! অন্য স্কুলে চললেন প্রধান শিক্ষক
মানভূমির ঐতিহ্যবাহী ছৌ নাচ শিল্প-সংস্কৃতির জগতে এক অন্যতম জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। এই ছৌ নাচকে দেশ-দুনিয়ার দরবারে পৌঁছে দিতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে সরকারও। ছৌ নৃত্যের মূল উপাদান ছৌ মুখোশ পৌঁছে যাচ্ছে জেলা তথা দেশের বিভিন্ন জায়গায়। আগামী দিনে ছৌ মুখোশের পাশাপাশি এই নতুন ধরনের পুতুল পর্যটকদের মন কাড়বে এমনটাই আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি





