চা ও কাঠ—এই দুই ‘টি’ ধীরে ধীরে ম্লান। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে লাটাগুড়ির আর্থ-সামাজিক চিত্রে। এক সময় এখানে ১৩টি করাত কল ছিল। হাজার হাজার মানুষের জীবিকা জড়িয়ে ছিল এই শিল্পের সঙ্গে। আজ টিকে আছে মাত্র ৪টি। সেই টিম টিম করে টিকিয়ে রাখা একটি করাত কলের কর্ণধার গোবিন্দ দাস জানান, ৪০–৪৫ বছর আগে দেশের নানা প্রান্ত থেকে বড় মহাজনেরা এখানে আসতেন মূল্যবান কাঠ কিনতে। তখন কাঠ কেনাবেচার বড় আড়ত ছিল আলিপুরদুয়ারের দমনপুর, গয়েরকাটা ও লাটাগুড়ি, এই তিন জায়গায়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ রান্নার আগে যে কোনও মাছ ধুয়ে নিন ঠিক ‘এভাবে’, গন্ধ যাবেই যাবে, সঠিক উপায় জানুন আপনিও
বিশাল গাছ কেটে নির্দিষ্ট মাপের কাঠ তৈরি হত করাত কলে। আজ সেই সবই স্মৃতি। আইনি জটিলতা, বন সংরক্ষণে কড়াকড়ি, কাঠ চোরাচালান এবং পর্যাপ্ত বৃক্ষরোপণের অভাব—সব মিলিয়ে কাঠের জোগান কমেছে। ফলত, এক সময়ের টিম্বার হাব লাটাগুড়ি আজ অনেকটাই ম্রিয়মাণ। তবু আশার আলো দেখাচ্ছে পর্যটন। প্রশ্ন একটাই—এই বদলের পথে কী নতুনভাবে বাঁচবে লাটাগুড়ি?





