৫৬ বছরের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তাঁর মা গ্রাজিয়েলা দাল’ওলিও ২০২২ সালে মারা গেলেও তিনি তা কাউকে জানাননি। বরং বাড়িতেই মায়ের দেহ লুকিয়ে রাখেন এবং নিয়মিত তাঁর ছদ্মবেশে পেনশন তুলতে শুরু করেন। তদন্তে জানা গেছে—উইগ, স্কার্ট, মেকআপ—সবই ব্যবহার করতেন তিনি। দূর থেকে দেখলে মনে হতো বৃদ্ধা মহিলা ঠিকই নিজের কাজে বেরিয়েছেন।
advertisement
অসুস্থ জয় গোস্বামী! একাধিক সার্জারি হল হাসপাতালে, এখন কেমন আছেন কবি?
এই তিন বছরে তিনি কয়েক হাজার ইউরো পকেটস্থ করেছেন বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। 7News–এর রিপোর্ট অনুসারে, সন্দেহের সূচনা হয় সম্প্রতি, যখন তিনি তাঁর মায়ের পরিচয়পত্র নবায়নের জন্য অফিসে যান। সেখানকার কর্মীদের নজরে আসে অদ্ভুত অসঙ্গতি—বৃদ্ধা নারীর পোশাক পরা ব্যক্তি, কিন্তু হাতে আর থুতনিতে স্পষ্ট কালো লোম। এই অস্বাভাবিকতা থেকেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এরপর নজরদারি ক্যামেরা খতিয়ে দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয়—যাকে বৃদ্ধা ভেবে এতদিন নথিভুক্ত করা হচ্ছিল, তিনি আসলে মায়ের সাজে বেরোনো তাঁরই ছেলে। কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একই ব্যক্তি বাড়িতে ছদ্মবেশ তৈরি করছে এবং ঠিক সেই সাজেই বাইরে বেরোচ্ছে।
মায়ের দেহ লুকিয়ে রাখার অভিযোগও তদন্তের আওতায় এসেছে, যা আরও গুরুতর অপরাধ। পুলিশের মতে, ঘটনাটি শুধু আর্থিক প্রতারণা নয়, বরং সমাজ ও আইন—উভয়ের প্রতি ভয়ংকর অবমাননা। ঘটনাটির পর এলাকাবাসীও শোকাহত ও বিস্মিত। তাঁরা বলছেন, এতদিন যাঁকে বৃদ্ধা মহিলা মনে করা হতো, তাঁর পরিচয় যে এমন বিভীষিকাময় বাস্তব লুকিয়ে রেখেছিল, তা ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে কড়া শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে ইতালির আইনশৃঙ্খলা দফতর।
