ঘটনাটি সুমেরপুরের মা গীতা মহেশ্বরী ইন্টার কলেজে। ২১ জানুয়ারি, ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষার ওই কপিতে ছাত্র নিজের নাম লেখে—রাঘব। প্রথম পাতায় লেখা ছিল, “জয় শ্রী রাম, জয় হনুমান দাদা।” পরের পাতায় সে লেখে, “সরি স্যার, ভুল করে ছেড়ে দিয়েছি।” তৃতীয় পাতায় একটি ছড়া—“আমার কপি আপনার শিক্ষকের কাছে নিয়ে যান, ইচ্ছা হলে তিনি আপনাকে পাশ করিয়ে দেবেন।” এখানেই শেষ নয়।
advertisement
৮ সদস্যের মডিউলের ‘মাথা’ মালদহের উমর ফারুক! কী ভাবে যোগাযোগ হয়েছিল কাশ্মীরের জঙ্গি সাবিরের সঙ্গে?
হামিরপুরে ভাইরাল ছাত্রের উত্তরপত্রে ১০০ টাকার নোট সেঁটে চমক!
আরও এক জায়গায় লেখা ছিল, “বাবরের বাবার নাম কী? ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ। ১০০-র মধ্যে ১০০। জয় শ্রী রাম।” প্রশ্নের উত্তরের বদলে গোটা কপিজুড়ে এমনই নানা বাক্য লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে।
সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয়, কপির দুটি আলাদা পাতায় ১০০ টাকার নোট সেঁটে দেওয়া হয়েছিল। অনুমান, পাশ করানোর অনুরোধ হিসেবেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে ছাত্রটি। পাশাপাশি “ডার্লিং মিঁয়াও…” ধরনের কথাও লেখা ছিল, যা নিয়ে বিতর্ক আরও বেড়েছে। ঘটনাটি যেমন বিস্ময়কর, তেমনই অনেকের কাছে হাস্যকরও।
ইনস্টাগ্রামে ‘in.indians’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে উত্তরপত্রের ছবি শেয়ার করা হয়। অল্প সময়েই তা ভাইরাল হয়ে যায়। হাজার হাজার শেয়ার ও মন্তব্য জমা পড়ে। কেউ কেউ বিষয়টিকে পরীক্ষার চাপের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “আমার এক বন্ধু এমনই লেখে।” আরেকজনের মন্তব্য, “এটা কী! মানুষ এমন করে কেন?” অনেকে ছাত্রের ‘সৃজনশীলতা’ দেখে হাসাহাসি করলেও, কেউ কেউ শিক্ষাব্যবস্থা ও পরীক্ষার চাপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে অধিকাংশই ঘটনাটিকে হালকাভাবে নিয়েছেন।
