রেস্তোরাঁর সুপারভাইজার পলাশী মেধা জানান, ” বহু মানুষ পছন্দ করছেন রেস্তরাঁটি। এখানে রয়েছে বিভিন্ন আঞ্চলিক স্বাদের খাবারের সম্ভার। অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে সাজানো এই নতুন কোচ রেস্তরাঁটি খাদ্য রসিকদের এক অনন্য পরিবেশ উপহার দিয়েছে। কেউ চাইলে ট্রেনে বসে পিএনআর নম্বর দিয়ে অর্ডার করেও এই রেস্তরাঁর খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন। এই কোচ রেস্তরাঁতে মেলে স্ন্যাক ও নানা নরম পানীয়ও।”
advertisement
রেস্তরাঁর এক গ্রাহক সুদীপ বেরা জানান, ” শুধু বাঙালি খাবার নয়, এই রেস্তরাঁয় মেলে নানা ধরণের কুইজিন। হরেক কিসিমের থালি। রোজ খোলা থাকে, এটাও একটা বড় সুবিধা। ”
রেল কোচ রেস্তরাঁর প্রধান রাঁধুনি সৌমেন বর্মন জানান, “সাধারণ মানুষ অনেক ধরনের খাবারের আবদার নিয়ে আসেন। চেষ্টা করা হয় সে-সব খাবার বানানোর।” ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে এই ধরনের রেস্তরাঁ বানানো হচ্ছে। পরিত্যক্ত ট্রেনের কোচ ব্যবহার করে এই রেস্তরাঁ তৈরি হচ্ছে।
Sarthak Pandit





