কোচবিহারের দিনহাটা মহকুমা এলাকায় সংহতি ময়দানের পাশেই রয়েছে এই বিশেষ পার্ক। পার্কের মধ্যে রয়েছে একাধিক জন্তুদের মূর্তি। যা বাচ্চাদের অনেকটাই আকর্ষণ করে। সন্ধে নামলেই বহু মানুষ এই পার্কের মধ্যে আসছেন ঘুরতে।
আরও পড়ুন: শরীরের কোন ‘অংশে’ সাপ সবচেয়ে বেশি ‘কামড়ায়’ বলুন তো…? চমকে দেবে উত্তর, গ্যারান্টি!
দিনহাটার এক স্থানীয় বাসিন্দা বিভাষ রায় জানান, “দীর্ঘ সময় ধরে এই মহকুমা শহরের বাচ্চাদের খেলার বা ঘুরতে আসার পার্ক নেই। তাই দুই ব্যক্তি মিলে এই পার্ক তৈরি করেছিলেন এক বছর আগে। পার্কে অনেকগুলি মূর্তি বসানো রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সহজপাঠ বইয়ের একাধিক লেখা ও ছবি পার্কের দেওয়ালের গায়ে।
advertisement
পার্কে দুটি বাচ্চাদের খেলনা রয়েছে। যেগুলি বাচ্চারা অনেকটাই উপভোগ করে থাকে। সব মিলিয়ে এই পার্ক বেশ অনেকটাই আকর্ষণ করে বাচ্চাদের। তবে পার্কের আরও কিছু খেলনা বসালে আরও অনেকটাই ভাল হয় বাচ্চাদের জন্য।”
পার্কে আসা আরও দুই স্থানীয় বাসিন্দা খাদেজা খাতুন ও সুস্মিতা সরকার জানান, “মহকুমা শহরের আরোও এরকম পার্ক হওয়া প্রয়োজন। তবে বাচ্চারা স্বাচ্ছন্দে খেলতে বের হতে পারবে। বিকেলের দিকে কিংবা সন্ধের সময় বেশ অনেকটাই ভাল লাগে এই পার্কে এলে পরিসরে একেবারেই ছোট্ট একটি পার্ক।
তবে এই পার্কের সৌন্দর্য বেশ অনেকটাই আকর্ষণ করবে যেকোনও মানুষকে। দীর্ঘ এক বছর আগে তৈরি হওয়া এই পার্ক বর্তমান সময়ে বহু মানুষের কাছেই পছন্দের হয়ে উঠেছে। রকমারি আলো এবং বিভিন্ন ধরনের মূর্তিতে সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোটা পার্ককে।”
আরও পড়ুন: বলুন তো… ভারতের ‘১ লাখ’ টাকা বাংলাদেশে এখন ‘কত’ হল? শুনলেই চমকাবে, শিওর!
জেলা শহরে এই ধরনের আরও বেশ কিছু পার্ক তৈরি হলে বেশ অনেকটাই খুশি হবে বাচ্চারা। ভবিষ্যত দিনে এই ধরনের পার্ক তৈরিতে জেলা প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করুক। বাচ্চাদের শৈশব ফিরিয়ে দিতে যে উদ্যোগ দিনহাটা মহকুমা শহরের দুই ব্যক্তি নিয়েছিলেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান সময়ের সন্ধ্যে নামলেই বাচ্চাদের নিয়ে তাঁদের বাবা মায়েরা এই পার্কে আসেন ঘুরতে।
সার্থক পণ্ডিত





