উল্লেখ্য ১৯৮৪ সালে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভা গঠন হয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বাধাবিঘ্নের মধ্য দিয়ে কাউন্সিলরদের কাজ করতে হয় তাদের নিজেদের ওয়ার্ডে। এবার তারা কিভাবে তাদের ওয়ার্ড কে দেখভাল করছেন, উন্নয়ন কতটা করতে পেরেছেন, উন্নয়ন করতে গিয়ে কোনও বাধাবিঘ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে কিনা। ছাত্রছাত্রীদের কাছে এই সব প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হল পৌর কমিশনারদের।
advertisement
আরও পড়ুন: মাঝরাস্তা থেকে সন্দীপ ঘোষকে পাকড়াও করল সিবিআই, সোজা নিয়ে গেল সিজিও-তে
স্কুল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁরা কাউন্সিলরদের সঙ্গে কথা বলে রিপোর্ট নেন। উল্লেখ্য যে সমস্ত ছাত্রীরা এদিন এসেছিলেন তাঁরা সকলেই উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী। পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করার সুবাদে তাঁদের স্কুলে একটি প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আর সেই প্রজেক্ট রিপোর্টের বিষয়বস্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের দিয়েছে।
আরও পড়ুন: আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশ, জানেন কে ছিলেন আরজি কর?
পৌরসভায় এসে কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ দাসের কাছে তারা জিজ্ঞেস করেন, “আপনার ওয়ার্ডে আপনি কাজ করতে গিয়ে কোনও বাধাবিঘ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন কf? পৌরসভা থেকে যে টাকা ওয়ার্ডে খরচ করার জন্য পাঠানো হয় সেই টাকা আপনি ঠিকভাবে ওয়ার্ডে খরচ করতে পেরেছেন কি?” এর পাশাপাশি কাজ করতে গিয়ে জনগণ আপনাকে কতটা সহযোগিতা করছে সেই সব ব্যাপারে প্রশ্ন করতে দেখা যায় ছাত্রীদের।




