বঞ্চনার ঘটনাটি বালুরঘাট ব্লকের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধানগর গ্রামে। কেউ চার বছর তো, কেউ পাঁচ বছর থেকে একাধিক জায়গায় গিয়ে কড়া নাড়লেও বার্ধক্য ভাতা পাননি। তাঁদের বঞ্চনার কথা শোনারও কেউ নেই বলে অনুযোগের সুর তাঁদের গলায়।
advertisement
এবিষয়ে জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জিতেন্দ্রনাথ সরকার জানান, “তাঁদের কাছে খবর আসে বার্ধক্য ভাতা থেকে কিছু নাম ছাড়া পড়েছিল। এরপরেই তাঁরা ওই এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করেছেন। কাগজপত্র ব্লক দফতরে পাঠানো হয়েছে। এই বছরের মধ্যেই তাদের ভাতা যেন হয় সেই ব্যবস্থা করছেন তাঁরা।”
রাধানগর গ্রামের কলোনি পাড়ায় ঢুকলেই অভাবের চিহ্ন আনাচে কানাচে থেকে উঠে আসে। বর্তমানে বৃদ্ধ বয়সে সরকারি আর্থিক সাহায্যের আশা কার্যত ছেড়ে দিচ্ছেন তাঁরা। ওই গ্রামে মূলত আদিবাসী সম্প্রদায়ের ঝুপড়ি বাড়ি, টিনের ঘরেই বাসবাস। সেখানে এক দুজন নয়, প্রচুর আদিবাসী বৃদ্ধার বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা এখনও হয়নি।
এই জন্মে আর তাঁরা এই সরকারি সুবিধা পাবেন কিনা তা নিয়ে আক্ষেপ করছেন বেশিরভাগই। তাঁরা যে বার্ধক্য ভাতা পান না বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদেরও অজানা নয়। তবু এক অজ্ঞাত কারণে ৭০ বছরের দোরগোড়ায় পৌঁছেও বার্ধক্য ভাতার তালিকায় নাম ওঠেনি ওই বৃদ্ধ আদিবাসী মহিলাদের। যদিও পঞ্চায়েতের তরফে তাঁদের দ্রুত বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সুস্মিতা গোস্বামী





