এছাড়াও চালু হয়েছে ডোর টু ডোর পরিষেবা । পোস্ট অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, এখন থেকে হেল্পলাইনে ফোন করে ‘পার্সেল বুক’ করা যাবে। সেক্ষেত্রে গ্রাহক যে ঠিকানা দেবেন, সেখানেই এসে হাজির হবেন ডাক বিভাগের কর্মীরা। বাড়ি থেকে সংগ্রহ করবেন সেই পার্সেল। পরিষেবার জন্য দাম নেওয়া হবে সেখানেই। স্পিড পোস্ট পার্সেল এবং রেজিস্টার্ড পোস্ট পার্সেল পর্যন্ত এই পদ্ধতিতে ‘বুক’ করা যাবে।
advertisement
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার মাথায় হাত! এবার কি ফিরতে হবে বাংলাদেশেই? বিরাট ঘটনা! তোলপাড় ঢাকা
ডাক বিভাগের সিকিমের পোস্টমাস্টার জেনারেল অখিলেশ কুমার পান্ডে বলেন, ‘শুধু শিলিগুড়ি বা শহরতলি নয়, রাজ্যের সর্বত্র এই পরিষেবা চালু হচ্ছে। আমাদের পার্সেল হেল্পলাইনটি হল, ৯৪৩৩১৬৫০৫০। এখানে সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে যে কেউ রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকে পার্সেল বুক করতে পারবেন। হেল্পলাইনে তিনি যে ঠিকানার উল্লেখ করবেন, সেখানে পৌঁছে নিকটবর্তী ডাকঘরের কর্মী পার্সেলটি সংগ্রহ করবেন। আশা করি রাজ্যের মানুষ এই নতুন পরিষেবায় উপকৃত হবেন।’
অখিলেশ বাবুর কথায়, এটা শুধু যে সাধারণ মানুষের কাজে আসবে, তা নয়। যাঁরা বাড়িতে বসে ছোট আকারের ব্যবসা চালু করেছেন, তাঁদেরও উপকার হবে। বিশেষত মহিলা উদ্যোগপতিদের। একসঙ্গে অনেকগুলি পণ্য দূরে কোথাও পাঠাতে আর বোঁচকা নিয়ে ডাকঘরে হাজির হতে হবে না। শুধু দেশে নয়, যদি কেউ বিদেশে পার্সেল বা স্পিড পোস্ট পাঠাতে চান, তাহলেও মিলবে এই সুবিধা।\” এই পরিষেবাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হবে বলেই আশাবাদী ডাক বিভাগ। দফতরের কর্তাদের দাবি, চিরাচরিত পথে না হেঁটে বিকল্প পথে আয় বাড়াতে আগ্রহী ডাক বিভাগ। কমাতে চায় ‘ক্ষতি’র বহরও। বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে টক্কর দিয়ে পার্সেল ব্যবসাকে আরও জনপ্রিয় করা এখন তাঁদের পাখির চোখ। তাই পরিষেবার বহর বাড়াতে এমন উদ্যোগ।
—- অনির্বাণ রায়





