প্রতিটি টাওয়ারের কর্মীদের হাতে এবারে তুলে দেওয়া হয়েছে যথেষ্ট শক্তিশালী ওয়াকিটকি। প্রতিটি অ্যান্টি পোচিং টাওয়ারের সঙ্গে এবার থেকে সবচেয়ে কাছের বিট অফিসের যেমন নিবিড় যোগাযোগ থাকবে পাশাপাশি মাদারিহাটের মূল কন্ট্রোল রুমের সঙ্গেও বিট থেকে টাওয়ার যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে।
আরও পড়ুনঃ জাগ্রত কালী মন্দিরের পর খোদ কলকাতা পুলিশের বাড়িতে চুরি! সোনাদানা-টাকা উধাও, প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা
advertisement
অরণ্যের গভীরে মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকে না এক্ষেত্রে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম শক্তিশালী ওয়াকিটকি। এর ফলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা হয়েছে রাতের বেলায়, বিট বা রেঞ্জ অফিসের সঙ্গে টহলরত বনকর্মীদের যোগাযোগ হচ্ছে শীঘ্রই। যার রেকর্ড থাকছে বলে বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ গভীর রাতে ট্রলার থেকে উধাও মৎস্যজীবী, শৌচকর্ম করতে গিয়েই কি তবে অঘটন! তোলপাড় করে চলছে তল্লাশি
বন্যপ্রাণী উদ্ধার, মানুষ বন্যপ্রাণী সংঘাত মোকাবিলায় যুক্ত রেপিড রেসপন্স টিমগুলি কেও ওয়াকিটকি দেওয়া হয়েছে ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে সমন্বয় উল্লেখযোগ্য ভাবে উন্নত হয়েছে। এদিকে নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হাতি করিডোর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ৩০ টি জি এস এম ভিত্তিক, সৌরশক্তি চালিত লাইভ রিলে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ওই ক্যামেরায় ইতিমধ্যেই হাতির গতিবিধি আগাম টের পাওয়ার ফলে গত একমাসে লোকালয়ে হাতির আক্রমণের সংখ্যা কমেছে বলে দাবি বনকর্তাদের।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও প্রবীণ কাসওয়ান ফোনে জানান, “জঙ্গলের ভিতরে ট্র্যাপ ক্যামেরা সক্রিয় রয়েছে। মার্চ এপ্রিল মাস পর্যন্ত ক্যামেরায় ট্র্যাপিং চলবে। রিয়েল টাইম নজরদারিকে আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে।”





