বাদাম বিক্রেতা ফাইজান আলী জানান, উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রতিবছর জেলা কোচবিহারে আসেন তাঁরা। তিনি বিগত ছ’থেকে সাত বছর ধরে জেলা কোচবিহারে আসছেন। মূলত রাজস্থানের বাদাম নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে পুজোর আগেই আসেন তাঁরা। কোচবিহারের মানুষেরা বাদাম খেতে বেশ পছন্দ করেন। এছাড়া পুজোর আগে শহরে এলে বিক্রির পরিমাণ কিছুটা বাড়ে। তাই তো প্রতিবছর পুজোর আগেই শহরে এসে উপস্থিত হন তাঁরা। সারাদিনে বাদাম বিক্রি করে উপার্জন হয় এক হাজার থেকে দু’হাজার টাকা পর্যন্ত। ফলে মুনাফার পরিমান হয় অনেকটাই বেশি। তাঁর মতো আরও বহু বিক্রেতারা আসেন কোচবিহারে।
advertisement
দোকানের এক গ্রাহক সঞ্জয় বণিক জানান, এমনিতেই বাদাম খাওয়া অনেকটাই উপকারী। তাছাড়া এই বাদাম গুলির স্বাদও অনেকটা বেশি। বাইরে থেকে আসার ফলে এই বাদামগুলি খুবই কম দামে বিক্রি হচ্ছে জেলায়। তবে গুণগত মান রয়েছে বেশি এবং দাম রয়েছে সাধ্যের মধ্যেই। তাইতো এই বাদাম কিনে প্রতিদিন বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। তাঁর বাড়ির মানুষেরাও এই বাদাম খেতে দারুণ পছন্দ করেন। আরেক বাদাম বিক্রেতা রাজা বাবু জানান, প্রতি বছর কোচবিহার জেলায় এলে বিক্রি ভাল হয়। তাই তো অন্য জেলার চাইতে এই জেলায় আসতে বেশি ভাল লাগে তাঁদের।
তবে পুজোর আগে জেলায় বাদাম বিক্রেতারা ইতিমধ্যেই বহু মানুষের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বহু মানুষ এই বিক্রেতাদের কাছে আসছেন বাদাম কিনতে। বাদামের স্বাদ এবং গুণগতমান দুই ভালো থাকায় বিক্রেতাদের এই রাজস্থানের বাদামের আকর্ষণ তৈরি হয়েছে কোচবিহারে।
সার্থক পণ্ডিত





