দেশের মধ্যে সেনাদের পোশাকের আদলে যে সব পোশাক বিক্রি হয়। এছাড়া যাঁরা সেনাদের পোশাক বিক্রি করেন। সেই দোকান গুলিতে গিয়ে বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয় জেলা পুলিশ ও ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে। বর্তমান পরিস্থিতিকে সামনে রেখে যাতে ব্যবসায়ীরা এই ধরনের পোশাক বিক্রি না করেন সাধারণ মানুষকে সেই কথা জানানো হয় সকল কাপড়ের ব্যবসায়ীদের৷ এক কাপড়ের ব্যবসায়ী মিরাজ খান জানান, ‘সেনা বাহিনীর কাপড় সাধারণ মানুষকে বিক্রি করা যাবে না। যদিও কাপড় বিক্রি করতে হয়। তবে অবশ্যই সেই ব্যক্তির সেনাবাহিনীর আইডি কার্ড দেখে বিক্রি করতে হবে।’
advertisement
এই বিষয়ে কোচবিহার জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সুরজ কুমার ঘোষ জানান, ‘ভারতীয় সেনার পোশাক এবং পুলিশের পোশাক, টুপি, বেল্ট, জুতা, মোজা এবং এই ধরনের মিল থাকা কাপড় ব্যবসায়ীরা বিক্রি করে থাকেন। বর্তমানে ভারত-পাক এই সংঘর্ষের কারণে এগুলি সাধারণ মানুষকে বিক্রি করা যাবে না। যদি কেউ এই পোশাক কিনে কোনও প্রকার দুর্ঘটনা ঘটায়, তবে সমস্যা বা বড় ক্ষতি হতে পারে। তাই এই সচেতনার বার্তা দিতেই পুলিশ এবং ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তারা বাজারের বিভিন্ন দোকানে যান। এবং ব্যবসায়ীদের বুঝিয়ে বললেন গোটা বিষয় নিয়ে।’
জেলা পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য জানান, ‘ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা জেলায় বিভিন্ন এলাকায় সকল কাপড়ের ব্যাবসায়ীদের বিষয়টি সম্পর্কে জানানো হয়েছে।’ কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীর পোশাক বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। খোলা বাজারে সেনাদের উর্দির রংয়ের পোশাক বিক্রি হলে জঙ্গিরা সেটা কাজে লাগাতে পারে। তাই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
Sarthak Pandit





