এর আগে, গুয়াহাটি, হরিশচন্দ্রপুর, লামডিং, রঙিয়া, মরিয়নি, সামসি, নিউ বঙাইগাঁও, নিউজলপাইগুড়ী, কামাখ্যা, নিউ তিনসুকিয়া, জলপাইগুড়ী রোড, বিন্নাগুড়ি, ধুপগুড়ী, ফালাকাটা, দিনহাটা এবং নিউ কোচবিহার-সহ উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়েতে বেশ কয়েকটি স্টেশনকে ইতিমধ্যেই স্টাটিফিকেশন দ্বার পুরস্কৃত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ফের খুন সংখ্যালঘু যুবক! ভরা বাজারের উপরেই ব্যবসায়ীকে কোপ, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২
advertisement
আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের প্রাপ্ত এই সাম্প্রতিক স্বীকৃতি উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের সার্টিফাইড স্টেশন এবং ক্যাম্পাসের সম্প্রসারিত নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করেছে, এবং সমগ্র জোনে সুরক্ষিত ওস্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিষেবা প্রদানের প্রতি তার প্রতিশ্রুতিকে মজবুত করেছে।
পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলায় অবস্থিত নিউ আলিপুরদুয়াররেলওয়ে স্টেশনটি ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ০৩ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত সময়েরজন্য ‘ইট রাইট স্টেশন’ হিসেবে সার্টিফাইড করা হয়েছে৷ এক্সেম্পলারি রেটিং-সহ প্রদান করা এই সার্টিফিকেশন, স্টেশন দ্বারা ক্যাটারিং এবং ফুড ভেন্ডিংইউনিটগুলিতে খাদ্যর সুরক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি, পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবংকোয়ালিটি কন্ট্রোল সম্পর্কিত এফএসএসএআই নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনেচলার বিষয়টি প্রতিফলিত করে।
এছাড়াও, আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের অধীনে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ২২ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ২১ ডিসেম্বর ২০২৭ সময়কালের জন্য ‘ইট রাইটক্যাম্পাস’ হিসেবে সার্টিফাইড করা হয়েছে, এবং সবগুলোই এক্সেম্পলারিরেটিং পেয়েছে। এর মধ্যে রাজাভাত খাওয়া এবং কোচবিহারের রেলমিউজিয়ামে অবস্থিত রেল কোচ রেস্তোরাঁর পাশাপাশি আলিপুরদুয়ারজংশনের মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি জোনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট রয়েছে।
রেল কোচরেস্তোরাঁগুলো একটি অনন্য ভোজন পরিবেশে সুরক্ষিত, স্বাস্থ্যকর এবং উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যাসামগ্রিকভাবে রেল কোচ রেস্তোরাঁতে আসা জনসাধারণের অভিজ্ঞতাকে উন্নতকরেছে। মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি জোনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটটিও খাদ্য সুরক্ষা ওস্বাস্থ্যবিধি মানদণ্ড-এর পালন দৃঢ়ভাবে করেছে। সম্মিলিতভাবে এই সমস্ত স্বীকৃতিগুলো সমগ্র উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে জোনে প্রথম ‘ইট রাইটক্যাম্পাস’ সার্টিফিকেশন হয়েছে।
ইট রাইট ইন্ডিয়া পদক্ষেপের অধীনে বিস্তারিত অডিট-এর পরসার্টিফিকেশন প্রদান করা হয়েছে, যেখানে খাদ্য সুরক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।এইপদক্ষেপগুলি যাত্রী, সাধারণ জনগণ এবং রেল কর্মচারীদের জন্য সুরক্ষিত ও স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করেছে। এগুলি খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি কম করেএবং বিক্রেতাদের মধ্যে উন্নত অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহিত করে। এগুলিরেলওয়ে ফুড সার্ভিসের প্রতি জনগণের আস্থা মজবুত করে এবং স্টেশন ওচত্বরগুলির ভাবমূর্তি পরিচ্ছন্ন ও যাত্রী-বান্ধব পাবলিক স্পেস হিসেবে উন্নত করে।
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, সুযোগ-সুবিধা ও পরিষেবার মানদন্ডের ধারাবাহিক উন্নতকরণের মাধ্যমে যাত্রী কল্যাণ এবং জনস্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চঅগ্রাধিকার দিয়ে চলেছে। আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের জন্য ইট রাইটসার্টিফিকেশন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের ন্যাশনাল ফুড সেফটি লক্ষ্যেরপ্রতি অঙ্গীকার এবং তার নেটওয়ার্কে একটি সুরক্ষিত, স্বাস্থ্যকর ও উন্নত মানেরভ্রমণ পরিবেশ প্রদানের দৃষ্টিভঙ্গিকে পুনঃনিশ্চিত করে।
