বাগডোগরা রেঞ্জের অন্তর্গত টাইপো বিটে জঙ্গলের মধ্যেই বিদ্যুতের তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে জায়গা তৈরি করে তার ভেতরেই চলছে হাতির চিকিৎসা। প্রথম দিন থেকে ডক্টর স্বেতা মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে বন দফতর এবং বিভিন্ন বন্যপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে সেরে উঠছে হাতিটি। বর্তমানে হাতিটির দ্রুত সুস্থতায় সেভ এলিফ্যান্ট ফাউন্ডেশনের থাইল্যান্ডের একটি বিশেষ দল এসে হাতিটির চিকিৎসা করছে।
advertisement
প্রথমবার তাদের তত্ত্বাবধানে হাতিটির এক্সরে করা হয়েছে। অন্যান্য বন্যপ্রাণীদের জন্য বেঙ্গল সাফারি এবং দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালইয়ান জুওলজিক্যাল পার্কে সামান্য চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও হাতিদের জন্য কোনও হসপিটাল নেই, সেই অর্থে জঙ্গলের মাঝে বিদ্যুতের বেড়া দিয়ে ঘিরে তার ভেতরেই হাতির যাবতীয় খাবারের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে চলছে চিকিৎসা। এ বিষয়ে কার্শিয়াং ফরেস্ট ডিভিশনের ডিএফও দেবেশ পাণ্ডে জানান ২১ দিন ধরে এই হাতিটির চিকিৎসা চলছে, এই হাতিটির চিকিৎসার জন্য তিনজন ডাক্তার নিয়ে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে বর্তমানে থাইল্যান্ড থেকে এই হাতিটির চিকিৎসার জন্য প্রাণী চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল এসেছে।
আরও পড়ুন: চরম গরমের দিন আসছে! ক’দিন পরেই তাপমাত্রা ছোঁবে ৪০ ডিগ্রি! দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস
চিকিৎসা সূত্রে একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে, হাতিটির শরীরে বিগত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রোটোজোয়া ইনফেকশন রয়েছে সেই জন্যই তার শরীর দুর্বল হয়ে পড়েছে। হাতিটির উপর সব সময় নজর রাখা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গে হাতিদের জন্য কোনও হাসপাতাল না থাকায় আপাতত জঙ্গলের মধ্যে থেকে সরিয়ে এনে বাগডোগরা রেঞ্জের টাইপো বিটের মধ্যেই ফেনসিং করে তার ভেতরেই হাতিটিকে কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়েছে যাতে অন্যান্য হাতি এবং বন্য জন্তুদের মধ্যে এই রোগটি ছড়িয়ে না পড়ে এবং সেখানেই তার খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাঁচ বছর বয়সি এই হস্তিসাবকের নাম দেওয়া হয়েছে ‘HOPE’।





