মাটির বাসনের ক্রেতা রাজীব দে জানান, “জেলায় এই জাতীয় বাসন আগে বিক্রি হয়নি। এত কম দামে, এত সুন্দর দেখতে বাসনগুলো শরীরের জন্য খুব উপকারী। তবে মাটির জিনিসের একটাই অসুবিধা। খুব সাবধানে রাখতে হবে। হাত থেকে পড়ে গেলেই ভেঙে যাবে। মাটির বাসনে রান্না করলে খাবারের গুণগত মান বজায় থাকে। শরীরে পুষ্টি জোগায়।”
advertisement
মাটির বাসনের বিক্রেতা সুলতান বড়গুজার জানান, “রাজস্থান থেকে দুটো গাযি নিয়ে এসেছি কোচবিহারে। আমাদের কাছে রয়েছে মাটির বিভিন্ন বাসনপত্র। দাম শুরু ৫০ টাকা থেকে। সবোর্চ্চ দাম ৬০০ টাকা। বহু ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন এই বাসন কিনতে। এখান থেকে অন্য জেলায় যাব বিক্রিবাটার কাজে।”
আধুনিকতার যুগে মাটির জিনিসের কদর কমেছে অনেকটাই। তবে আজও স্বাস্থ্য উপকারিতার দিক থেকে দেখলে, মাটির বাসনের জুরি মেলা ভার। কাজেই ফের একবার কোচবিহারের মানুষ মজেছে মাতির বাসনে।
Sarthak Pandit





