২০১০ সালে স্কুলটি পথচলা শুরু করলেও আজও একজন স্থায়ী শিক্ষিকা দিয়ে চলছে স্কুল। তবে সেই স্থায়ী শিক্ষিকা রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্বে। স্কুলে রয়েছে একজন অতিথি শিক্ষক। তবে তিনিও ইচ্ছামতো আসেন স্কুলে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভাবের কারণে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ২২ জন ছাত্রী রয়েছেন এই স্কুলে। স্থানীয় অভিভাবকদের একাংশের অভিযোগ, “দুইজন শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকলেও তাঁরা আবার নিয়মিত স্কুলে আসেন না। ছাত্রীরা এসে নিজেরাই নিজেদের ক্লাস নিয়ে মিড ডে মিল খেয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থার এমন পরিস্থিতি একেবারে কাম্য নয়।”
advertisement
আরও পড়ুন: পুকুর পাড়ে বস্তাবন্দি ৪৫ কচ্ছপ! স্থানীয়দের তৎপরতা নজরকাড়া, উদ্ধারের পাশাপাশি কারণ খুঁজছে বন দফতর
ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী পাখি দাস জানান, “সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্কুল আসেন। আবার আসলেও সময়ের আগে স্কুল থেকে চলে যান। এমনকি কোনও কোনও দিন কেউই আসেন না। মিড ডে মিল ও নিয়মিত রান্না হয় না।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
যদিও এই বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা তনুশ্রী বিশ্বাসের সাফাই, “একাই স্কুলের সব কাজ সামলাতে হয় তাঁকে। ব্লক অফিস থেকে যাবতীয় নথি সম্পর্কিত কাজ করতে হয়। কিছুদিন থেকে অসুস্থ থাকায় নিয়মিত স্কুলে যেতে পারছেন না তিনি।”
এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের ডি.আই মলয় মণ্ডল জানান, “স্কুলে অতিথি শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। তবে সেখানে কেউ নিয়োগের জন্য আবেদনে সাড়া দেননি। স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ প্রয়োজন রয়েছে। তবে সেই বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে রাজ্য শিক্ষা দফতরের হাতে।”
বর্তমানে যেখানে দেখা দেয় শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন রকম প্রকল্প ও উন্নয়নের ছবি। ডিজিটাল ক্লাসরুম থেকে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের পদ্ধতি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রায় দেড় দশক আগে তৈরি হওয়া এই স্কুলের এমন শিক্ষা ব্যবস্থা ভাবনীয় বর্তমান আধুনিক সমাজের কাছে।





