সেখানে ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা-সহ পার্শ্ববর্তী মোট আটটি দেশের প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে প্রথম হয় সেঁজুতি বারুই। মালদহের নিত্যানন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী সেঁজুতি বারুই। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত যোগা প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে সে। যোগা চ্যাম্পিয়ন সেঁজুতি বারুই জানান, দেশের জন্য স্বর্ণপদক এনে খুব ভাল লাগছে। আগামীতে যোগা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার।
advertisement
মালদহের পুরাতন মালদহ শহরের মহানন্দা কলোনি এলাকায় বাড়ি সেঁজুতির। বাবা বিনয় বারুই পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা, মা সান্তনা বারুই গৃহবধূ। যোগা চ্যাম্পিয়ন সেঁজুতির বাবা বিনয় বারুই জানান, “মাত্র তিন বছর বয়স থেকে যোগা প্রশিক্ষণ নিত সেঁজুতি। স্থানীয় এক যোগা প্রশিক্ষক পাপ্পু ঠাকুরের কাছে প্রশিক্ষণ নেয় সে। এর আগে রাজ্য ও জাতীয় স্তরে ভাল খেলে সুযোগ হয়েছিল আন্তর্জাতিক স্তরে খেলার। আন্তর্জাতিক স্তরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মেয়ের এমন সাফল্য দেখে খুব ভাল লাগছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিবারের আর্থিক অনটন সত্ত্বেও পড়াশোনার পাশাপাশি যোগা প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে মাত্র ৯ বছরের সেঁজুতি। জেলা থেকে রাজ্য এমনকি জাতীয় স্তরে এর আগে একাধিক সাফল্য পাওয়ার পর এবারে আন্তর্জাতিক স্তরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নজর কেড়েছে সবজি বিক্রেতার মেয়ে সেঁজুতি। তার এমন সাফল্যে খুশির হাওয়া দেখা দিয়েছে জেলা জুড়ে।





