বন দফতরের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লেপার্ড ক্যাটের মৃতদেহ উদ্ধার করেন। ২০০২ সাল থেকে এটিকে আইইউসিএন রেড লিস্ট অর্থাৎ বিরলতম প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই প্রাণী বিড়ালের মতো দেখতে হলেও বিড়াল নয়। সরু, লম্বা পা এবং পায়ের আঙুলের মাঝখানে সুনির্দিষ্ট জাল থাকে। এর ছোট মাথা, দু’টি স্পষ্ট কালো ডোরা এবং একটি ছোট এবং সরু সাদা মুখ দিয়ে চিহ্নিত। চোখ থেকে কান পর্যন্ত দু’টি কালো ডোরা এবং চোখ থেকে নাক পর্যন্ত ছোট সাদা ডোরা রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ পিকনিকে এসে রহস্যজনক মৃত্যু! সোনারপুরের রাস্তায় দেহ ফেলে রেখে পালানোর চেষ্টা, কাঠগড়ায় সঙ্গীরা
লেপার্ড ক্যাটের মাঝারি লম্বা এবং গোলাকার কানের পিছনের অংশ কালো এবং মাঝখানে সাদা দাগ রয়েছে। শরীর এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিভিন্ন আকার এবং রঙের কালো দাগ দ্বারা চিহ্নিত। এর পিছনে দুই থেকে চার সারি লম্বা দাগ রয়েছে। লেজটি তার মাথা-দেহের দৈর্ঘ্যের প্রায় অর্ধেক আকারের এবং কালো ডগার কাছে কয়েকটি অস্পষ্ট বলয় দিয়ে চিহ্নিত।
প্রজনন ঋতু ছাড়া লেপার্ড ক্যাট মূলত একাকী থাকে। কিছু লেপার্ড ক্যাট দিনের বেলায় সক্রিয় থাকে, তবে বেশিরভাগই রাতে শিকার করে। এরা চটপটে পর্বতারোহী এবং বৃক্ষরোপণকারী। সাধারণত গাছে বিশ্রাম নেয়, তবে মাটিতে ঘন কাঁটাযুক্ত গাছের নীচেও লুকিয়ে থাকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কালচিনির বিডিও মিঠুন মজুমদার জানান, “গাড়ি চালকদের বলব দ্রুত গাড়ি চালাবেন না। এভাবে বন্যপ্রাণ হারিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গল সংলগ্ন বা চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় এমনিও ধীর গতিতে গাড়ি চালানো উচিত।”






