স্থানীয়দের দাবি, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন বাইক আরোহী। জানা গিয়েছে, আহত যুবকের নাম সঞ্জয় ঠাকুর। তিনি বড়দিঘি চা বাগানের বাসিন্দা ও পেশায় ক্ষৌরকার। এদিন সন্ধ্যায় ধীরগতিতে নিজের বাইকে করে বাতাবাড়ি ফার্ম বাজারে যাচ্ছিলেন সঞ্জয়। চা বাগানের নির্জন রাস্তায় হঠাৎ ঝোপের আড়াল থেকে একটি বড় লেপার্ড বেরিয়ে এসে চলন্ত বাইকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে লেপার্ডটি সঞ্জয়ের পায়ে থাবা বসায়।
advertisement
আকস্মিক এই হামলায় আতঙ্কিত হলেও অসীম সাহস দেখান সঞ্জয়, বাইক থামাননি তিনি। চলন্ত অবস্থাতেই পা দিয়ে লেপার্ডকে লাথি মারেন। তখনই সঞ্জয়ের পায়ে আঘাত করে লেপার্ডটি এবং ফের চা বাগানের গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনওরকমে সঞ্জয় বাতাবাড়ি ফার্ম বাজারে পৌঁছন। সেখানে পেশায় শিক্ষক পারসরাম মাহালি তাঁকে তাঁর বাইকেই করে চালসার মঙ্গলবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সঞ্জয়কে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে বাগানের অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সঞ্জয় বলেন, “এতদিন ধরে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও কখনও এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হইনি। হঠাৎ করেই চিতাবাঘ চলন্ত বাইকের উপর হামলা চালায়।” এই ঘটনার পর বড়দিঘি চা বাগান-সহ আশপাশের এলাকায় তীব্র চিতাবাঘের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বন দফতরের হস্তক্ষেপ ও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন!
