রকেট উড়লেই মুহূর্তে ভেসে উঠছিল ছাত্রদের উচ্ছ্বাসধ্বনি, আকাশমুখী প্রত্যাশা আর বন্ধুত্বের প্রতিযোগিতা। আসলে কলেজ চত্বরে একাধিক ফাঁকা মাঠে চলছিল এই রকেট লঞ্চিংয়ের কর্মযজ্ঞ। ইসরোর চন্দ্রাভিযান টিমে কাজ করা কলেজের ১০ জন প্রাক্তন ছাত্রের প্রতি সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় এই বিশেষ ইভেন্ট। মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল-সহ বিভিন্ন বিভাগের ছাত্ররা মিলে সাজিয়ে তোলে দিনভর উৎসবের আমেজ।
advertisement
প্রতিযোগিতার আসল আকর্ষণ ছিল রকেট তৈরির পদ্ধতি। বড় প্লাস্টিকের সফট ড্রিংকস বোতল কেটে তাতে লাগানো হয়েছে দুই বা তিনটি ডানা। পিছনে বসানো হয়েছে রকেটের মুখ। এরপর বোতলের ৭০ শতাংশ জলে ভরে সাইকেলের পাম্প দিয়ে বাতাস ঢোকানো হলে বাড়তে থাকে চাপ, আর সেই চাপেই রকেট ছুটে যায় আকাশের দিকে। যে রকেট সবচেয়ে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকেই ঘোষণা করা হয় বিজয়ী।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্বল্প খরচে জলের সঙ্গে বায়ুচাপ ব্যবহার করে রকেটের এই মডেল, আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ছাত্রদের মধ্যে মহাকাশ প্রযুক্তি নিয়ে আগ্রহ আরও বাড়াবে। তাঁদের বিশ্বাস, এই ক্ষুদ্র উদ্ভাবনই একদিন বড় হয়ে দেশের বৈজ্ঞানিক সাফল্যের নতুন পথ খুলে দিতে পারে। প্রতিযোগিতা শেষে ছাত্রদের মুখে ছিল একটাই অনুভূতি, “স্বপ্নের বদল নেই, শুধু পথ বদলায়।” আর সেই পথেই আজ এক ধাপ এগিয়ে গেল জলপাইগুড়ির তরুণ প্রযুক্তিবিদরা!





