ইতিমধ্যেই উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়েতে উন্নত রিমোট অপারেটেড রোবোটিক মেডিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর অবস্থিত বিখ্যাত সরাইঘাট ব্রিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের অধীন ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর আন্ডার ওয়াটার কাঠামো পরিদর্শন করা হয়েছে।
advertisement
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের অধীন থাকা প্রায় ৪২০০ কিমি দীর্ঘ রেললাইনের মধ্যে একাধিক নদীর উপরের রেল সেতুও রয়েছে। যার মধ্যে বেশ কিছু নদীতে সারাবছর গভীর জল থাকে। যাত্রীসুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সারাবছর এই রেল সেতুগুলির শারীরিক পরীক্ষা করে রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। তবে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, জলঢাকা, তোর্সার মতো নদীগুলিতে রেল সেতুর জলের তলার শারীরিক পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করা সম্ভবপর ছিল না। ফলে সেই সেতুর কংক্রিটের পিলারগুলি কী অবস্থায় রয়েছে তা নিয়ে একটা প্রশ্নচিহ্ন ছিল। এবার সেই সমস্যা সমাধানে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নিল রেল।
এই বছর আন্ডার ওয়াটার রোবট ড্রোন ব্যবহার করে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের ৩৪টি রেল সেতুর শারীরিক পরীক্ষা করা হল। এর মাধ্যমে প্রতিটি সেতুর পর্যবেক্ষণ, লিডার, থার্মার ইমেজিং, গ্ৰাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার ও আল্ট্রাসনিক পালস ভেলোসিটির সমস্ত তথ্য উঠে এসেছে। তাতে ৩৪টি সেতুর জলের নিচে থাকা কাঠামোতে এখনও পর্যন্ত কোনও ত্রুটি শনাক্ত করা যায়নি।
