বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানে দশটি হিমালয়ান গোরাল ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বন দফতর। তার মধ্যে এদিন পাঁচটি হরিণ প্রজাতির ওই গোরাল জঙ্গলে ছাড়া হয়। হরিণ প্রজাতির ওই গোরাল মূলত পাহাড়ের জঙ্গলে থাকা ক্লাউডেড লেপার্ড, লেপার্ডের মতো প্রাণীদের খাবার। মূলত কার্শিয়াং বন বিভাগের অধীন দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় হিমালয়ান গোরাল সংরক্ষণ ও প্রজনন কেন্দ্র থেকে ওই হরিণগুলোকে নিয়ে এসে ছাড়া হয়। এছাড়াও সিঙ্গালিলার জঙ্গলে হিমালয়ান গোরালের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্যও ওই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একইভাবে এদিন মহানন্দা অভয়ারণ্যে দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় থাকা প্রজনন কেন্দ্র থেকে দশ জোড়া রেড জঙ্গল ফাউলের ছাড়া হয়৷ রেড জঙ্গল ফাউল মূলত অজগর ও বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের খাবার। এছাড়াও রেড জঙ্গল ফাউল ছোট ছোট কীট খেয়ে জঙ্গলের বাস্তুতন্ত্র বজিয়ে রাখে। এই বিষয়ে রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, “জঙ্গলে খাদ্য ও খাদকের সামঞ্জস্য যাতে বজিয়ে থাকে সেকারণে এই দুই ধরণের প্রাণী ছাড়া হল।”
আরও পড়ুন: ঘরোয়া উপকরণে বড়দিনে বাড়িতেই বানান স্পঞ্জি কেক, রইল রেসিপি
উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) ভাস্কর জেভি বলেন, “সিঙ্গালিলার জঙ্গলে যেহেতু লেপার্ড জাতীয় প্রাণীর সংখ্যা বেশি সেকারণে সেখানে হিমালয়ান গোরাল নামে হরিণ প্রজাতির প্রাণী ছাড়া হল। একইভাবে মহানন্দা অভয়ারণ্যে পাইথন ও বিড়াল প্রজাতির প্রাণী বেশি রয়েছে। যারা এই রেড জঙ্গল ফাউল প্রজাতির পাখিদের শিকার করে খায়। সেজন্য এই পাখি গুলোকে ছাড়া হল। এতে দুটো জঙ্গলেই হিমালয়ান গোরাল ও রেড জঙ্গল ফাউলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি খাদ্যের ভারসাম্য বজিয়ে থাকবে।”
অনির্বাণ রায়





