আরও পড়ুন: মাটির হেলথ কার্ড তৈরি হবে
প্রসঙ্গত, মথুরা, বৃন্দাবন সহ দেশের বিভিন্ন অংশে দীপাবলীর উৎসবের অঙ্গ হিসেবে পালিত হয় এই গোবর্ধন পুজো। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী দীপাবলীর পরের দিন গিরি গোবর্ধনকে কড়ে আঙুলের ডগায় তুলেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। এর ফলে রক্ষা পেয়েছিল গোকুলের মানুষ। পুরাণ অনুযায়ী, প্রতিবছর ভাল বৃষ্টি এবং ভাল চাষের জন্য দেবরাজ ইন্দ্রের পুজো করতেন বৃন্দাবনবাসীরা। কিন্তু তার জন্য বিপুল খরচ হতে। যা পছন্দ হয়নি কৃষ্ণের। তিনি সেই খাবার ইন্দ্রকে না দিয়ে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের খাওয়াতে বলেন। আর তাতেই দেখা দিয়েছিল বিপত্তি। বৃন্দাবনবাসী ইন্দ্রের পুজো বন্ধ করে দিলে তিনি রেগে গিয়ে বৃন্দাবনে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু করেন। বৃষ্টিতে বৃন্দাবন ভেসে যেতে বসলে শ্রীকৃষ্ণ এই বিপদ থেকে তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। তখনই বৃন্দাবনবাসীর আশ্রয়ের জন্য কড়ে আঙুলের ডগায় তুলে ধরেন গিরি গোবর্ধন পর্বতকে।
advertisement
গোবর্ধন উৎসব উপলক্ষে শিলিগুড়িতে ১০৮ রকমের পদ দিয়ে সাজানো হয়েছিল গোবর্ধন পর্বত। যেখানে ছিল পোলাও, মিষ্টি, পকোড়া, পায়েস, পনিরের তরকারি, ছানার তরকারি সহ রকমারি সুস্বাদু সব পদ। এই সমস্ত খাবার গোবর্ধন পর্বতের মতো করে সাজিয়ে ঠাকুরের সামনে ভোগ দেওয়া হয়। দুপুরের পুজো শেষে এদিন সাধারণ মানুষকে ভোগ খাওয়ানো হয়।
অনির্বাণ রায়





