বালুরঘাটের কুলদেবতা হিসেবেই পরিগণিত হন বুড়ামা বা বুড়িমা। অন্নপ্রাশন থেকে বিবাহ যেকোনও মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে প্রথম পুজো দেওয়া হয় বালুরঘাটের কুলদেবতা বুড়িমাকে। এর ফলে মায়ের মাহাত্ম্য বালুরঘাট-সহ সংলগ্ন এলাকার মানুষের কাছে অনেকটাই।
advertisement
প্রসঙ্গত, বুড়ি মায়ের পুজো শুরু কবে থেকে হয়েছিল তা সঠিক জানা যায় না। আনুমানিক প্রায় ৩০০ বছর আগে থেকেই এই পুজো নিয়ম ও নিষ্ঠা সহকারে হয়ে আসছে বলেই জানালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুজোর দিন মায়ের কষ্টি পাথরের মূর্তিটিকে সোনার অলংকার পরিয়ে রুপোর আসনে বসিয়ে মায়ের পুজো শুরু হয়।
এখন দিন বদলেছে, মায়ের মূল মন্দিরের সঙ্গে আরও অনেকগুলি মন্দির তৈরি হয়েছে। তৈরি হয়েছে বিশাল বড় নাট মন্দির। দীপান্বিতা অমাবস্যায় বাৎসরিক পুজো যেমন হয়, তেমনি চৈত্র সংক্রান্তিতেও মায়ের বাৎসরিক পুজো হয়ে থাকে প্রতিবছর।
আরও পড়ুন: বলুন তো হাওড়া ব্রিজের বাংলা নাম কী? উত্তর দিতে কালঘাম ছুটেছে ৯৯% বাঙালির, আপনি জানেন তো
তবে দীপান্বিতা অমাবস্যার পুজোতেই ভক্তদের ঢল নামে এই মন্দিরে। শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুর নয়, ভিন রাজ্য থেকেও প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। বুড়িকালী মন্দিরকে ঘিরে বালুরঘাটের আমজনতার আবেগ ও শ্রদ্ধা মিশে রয়েছে।
সুস্মিতা গোস্বামী





