উত্তরবঙ্গ মানেই পাহাড়ের রানি দার্জিলিং, যেখানে দাঁড়িয়ে দু-চোখ ভরে উপভোগ করা যায় বরফের চাদরে মোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। বরাবরই এই কাঞ্চনজঙ্ঘাকে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রূপে উপভোগ করতেই দার্জিলিংয়ে ছুটে আসে পর্যটকেরা। ডিসেম্বরের কনকনে শীতের মাঝেও শৈলশহরের বুকে দাঁড়িয়ে দু-চোখ ভরে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, আর হঠাৎ করেই তার দেখা পেয়ে আনন্দে মাতল পর্যটকেরা।
আরও পড়ুনঃ বড়দিনের আগে খারাপ খবর! পর্যটকদের জন্য ফের বন্ধ উত্তর সিকিম, কবে খুলতে পারে? জানুন
advertisement
শীতের মরশুমে মেঘে ঢাকা আকাশ এবং ঘন কুয়াশার জন্য মাঝে মাঝেই তার দেখা না পেয়ে খারাপ করে চলে যায় পর্যটকেরা। সকলের মনেই একটা প্রশ্ন থাকে দার্জিলিংয়ের কোথায় দাঁড়ালে দুচোখ ভরে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘাকে উপভোগ করা যায়? শৈলশহর দার্জিলিংয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখা গেলেও দার্জিলিংয়ের এই জায়গায় বসে গরম চা হাতে চোখের সামনে ঘুমন্ত বুদ্ধা অর্থাৎ কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখার মজাটাই যেন একদম আলাদা।
আরও পড়ুনঃ জলদাপাড়া, গরুমারা তো গিয়েছেন! এবার শীতে ঘুরে আসুন অফবিট এই ৫ জায়গায়! রইল বেড়ানোর খুঁটিনাটি
তবে মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে কোথায় এই জায়গা? আসলে এই জায়গাটি হল দার্জিলিং এর বহু চর্চিত এবং ইতিহাসের সাক্ষী অবজারভেটারি হিল। দার্জিলিং মলের পাশ দিয়েই চলে গিয়েছে এই রাস্তার আগের রাস্তা ধরেই বসত মহাকাল মার্কেট। আপনিও যদি শীতের আমেজে গরম চায়ের ধোয়ায় বরফের চাদরে মোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘার মজা নিতে চান তাহলে এই রাস্তা ধরে কিছুটা হেটে যেতেই দেখতে পাবেন সুন্দর করে তৈরি করা হয়েছে, বসার জায়গা শুধু একটি নয় কিছু দূরে গেলে আরও একটি বসার জায়গা রয়েছে যেখানে বসে গরম গরম দার্জিলিং চা হাতে চোখের সামনে ভাসবে সাদা বরফের চাদরে মোরা সেই মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, যার টানে প্রতিনিয়ত দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসে পর্যটকেরা। এই জায়গায় বসে অপরূপ কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখে আনন্দে আত্মহারা পর্যটকেরা।
সুজয় ঘোষ






