দার্জিলিং মানেই পর্যটকদের কাছে চৌরাস্তা অর্থাৎ দার্জিলিংয়ের মল রোড যেখানে পরিবার অথবা বন্ধু-বান্ধবের সাথে বসে পাহাড়ের ঠান্ডা শীতল আবহাওয়াকে উপভোগ করতে করতে গরম গরম চা হাতে জমজমাটি আড্ডা। বর্তমানে মল রোডকে দার্জিলিং শহরের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়। চারিদিকে পাইন গাছ এবং রাস্তার চারপাশ জুড়ে রয়েছে ছোট ছোট বেঞ্চ যেখানে বসে পর্যটকেরা শৈল শহরের আনন্দ উপভোগ করে। পর্যটকদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এই মল রোডেই। শুধু তাই নয় এ ছাড়াও এই মল রোডের চারিপাশ জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে জামাকাপড়ের দোকান। দার্জিলিং আসলেই মল রোডের দুপাশ জুড়ে শীতবস্ত্রের দোকানে দেখা যায় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। সব মিলিয়ে ঠান্ডার মরশুম আসতে না আসতেই পাহাড়ের রানী দার্জিলিঙে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে পর্যটকদের। এই প্রসঙ্গে এখানে ঘুরতে আসা এক খুলে পর্যটক বলে এখানে ঘুরতে এসে সব থেকে ভালো লেগেছে কাঞ্চনজঙ্ঘা, এখন মা মায়ের সাথে মল রোডে বসে রয়েছি এখানেও বেশ ভালো লাগছে।
advertisement
আরও পড়ুন: দার্জিলিঙের পাকদণ্ডিতে টয় ট্রেনের ভেতরে এসব কী! এলাহি ব্যাপার! জানলে দু’ চোখ কপালে উঠবে
আরও পড়ুন: দার্জিলিংয়ের রাস্তায় বসে পেন্সিলে ছবি এঁকে রোজগারের দিশা দেখাচ্ছে যুবক! জানুন
দার্জিলিং-এর মল রোড যেখানে শহরে চারটি প্রধান রাস্তা একসাথে যুক্ত হয়েছে সেই অর্থে একে চৌরাস্তাও বলা হয়ে থাকে। দার্জিলিং-এর প্রাণকেন্দ্র এই মল রোড বরাবরই পর্যটকদের চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে। সে অর্থেই পাহাড়ের রানী দার্জিলিংয়ে এসে মল রোডে আড্ডা হবে না তা আবার হয় নাকি। ইতিমধ্যেই ঠান্ডার আমেজ উপভোগ করতে পাহাড়ে পা বাড়াচ্ছে বহু পর্যটক।
সুজয় ঘোষ





