এই অভিজ্ঞতা কখনও ভোলার নয়। তবে দার্জিলিং-এর বুকে আজও ৮ থেকে ৮০ সকলের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ব্রিটিশ আমলের সেই ঘোড়ার সাওয়ারি।
অনেকে অনেক ভাবেই দার্জিলিং ঘুরে থাকেন৷ তবে এই ঘোড়ার পিঠে উঠে দার্জিলিং শহরকে দেখার মজাটা যেন একটু আলাদা। এ যেন বাকি সব এডভেঞ্চারাস অ্যাক্টিভিটির থেকে অনেকটাই রোমাঞ্চকর।
নতুন বছর পড়তেই দার্জিলিং-এর মল রোডে ঘোরার সাওয়ারির মজা নিতে ব্যস্ত পাহাড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা৷ শুধু পর্যটক বললে ভুল হবে স্থানীয়রাও চুটিয়ে আনন্দ করছে এই হর্স রাইডিংয়ের।
advertisement
এই ঘোড়ার পিঠে চেপে দার্জিলিঙে মল রোড ঘুরছেন বহু হাজার হাজার মানুষ সকলের কাছেই এই অভিজ্ঞতা তাদের ভ্রমণের আনন্দ দ্বিগুণ করে দেয় ।
তবে এই আনন্দ উল্লাসের মাঝে জানেন কি এই ঘোড়াগুলোই পেট চালাচ্ছে পাহাড়ের স্থানীয় বহু মানুষের? দার্জিলিং মল রোডেই রয়েছে একটি ঘোড়া আস্তাবল, যেখানে এই ঘোড়াগুলোকে খাওয়া দাওয়া স্নান করানো থেকে শুরু করে তাদের থাকার ব্যবস্থা সমস্তটাই রয়েছে।
এখানে গেলে একবার হলেও চোখ পড়বে ব্রিটিশ আমলের এই ঘোড়া আস্তাবলের দিকে। এই বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা ফেন্দো ভুটিয়া জানান ব্রিটিশ আমল থেকে তিনি ঘোড়ার পিঠে পর্যটকদের চড়িয়ে ঘোরানোর কাজ করে আসছেন।
বর্তমানে মোট কুড়িটির মতো ঘোড়া রয়েছে এবং পর্যটক থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দা সকলেই দারুণ উপভোগ করে এই হর্স রাইডিংয়ের। এই কাজ করেই তিনি সংসার চালান।
তাহলে এবার শৈলশহর দার্জিলিংয়ে গিয়ে ঘোড়ার পিঠে চেপে পাহাড়ি রাস্তায় ঘুরে আসুন, দেখবেন এই অভিজ্ঞতা সারা জীবনের জন্য মনে দাগ কেটে যাবে।
দার্জিলিংয়ের প্রাণকেন্দ্র অর্থাৎ এই মল রোডে গেলেই দেখা মিলবে এই ঘোড়া গুলোর। সেখানেই কথা বলে ঘোড়ার পিঠে চেপে বেরিয়ে পড়ুন শৈল শহর ভ্রমণে। আপনার একটি ঘোরার সওয়ারি হাসি ফোটাবে কিছু মানুষের মুখে।
সুজয় ঘোষ