ইতিমধ্যেই ডিসেম্বরের শীতে জমজমাট শৈলশহর দার্জিলিং। দূর দূরান্ত থেকে প্রচুর পর্যটক শৈল শহরের এই ঠান্ডা শীতল আবহাওয়া উপভোগ করতে ছুটে আসছে। সন্ধ্যা হলেই মল রোডের সমস্ত সিট হাউজফুল-সঙ্গে হাতে ধোয়া ওঠানো গরম চায়ে কেউ প্রিয় মানুষ আবার কেউ পরিবারের সঙ্গে জমজমাটি আড্ডায় ব্যস্ত। সন্ধ্যা হলেই এক কাপ চা না হলে বাঙালিদের আড্ডাটা যেন ঠিক জমে না। সেই অর্থেই পাহাড়ের এই মহিলারা হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় গরম চা নিয়ে পর্যটকদের স্বস্তিতে বসে রয়েছে মল রোডের চারপাশ জুড়ে। তীব্র ঠান্ডায় পর্যটকদের চাহিদায় এই গরম চায়ের। ফলে শীতের আমেজে দেদারে বিক্রি হচ্ছে গরম গরম চা। ফলে আয়ও ভাল হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে ঘুরতে আসা এক পর্যটক পুষ্পিতা ভট্টাচার্য বলেন দার্জিলিং বরাবরই পছন্দের। তবে আকাশ পরিষ্কার না থাকায় কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে না পেয়ে একটু মন খারাপ। কিন্তু শীতের আমেজে এই মল রোডে বসে আড্ডা দিতে বেশ ভাল লাগছে।
advertisement
আরও পড়ুন : কমদামি পেয়ারা নাকি দামি আপেল? কোনটা খেলে কমবে কোলেস্টেরল? বাড়বে না ওজন? জানুন কোন ফল বেশি উপকারী
অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে শৈলশহরে ঘুরতে আসা অন্য এক পর্যটক ঋক মণ্ডল বলেন এই কনকনে ঠান্ডায় এক কাপ গরম চা মুখে দিতেই যেন মন ভরে গেল। শীতে আমেজে এই মল রোডে বসে ধূমায়িত চা খেতে খেতে আড্ডা দিতে বেশ ভাল লাগছে। পাহাড়ের রানি দার্জিলিঙে গিয়ে শীতের সন্ধ্যায় মল রোডে জমজমাটি আড্ডা হবে না তা আবার হয় নাকি! শৈলশহর দার্জিলিংয়ের প্রাণকেন্দ্র এই মল রোড। শীতের আমেজে গরম চা হাতে দার্জিলিংয়ের মল রোডে জমজমাটি আড্ডায় মত্ত পর্যটকেরা।